আমাদের সরকারের ১০ বছর বড় ও সিদ্ধান্তমূলক সিদ্ধান্তের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লি, ৭ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : আমাদের সরকারের ১০ বছর বড় ও সিদ্ধান্তমূলক সিদ্ধান্তের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জোর দিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “কংগ্রেসের ১০ বছরের শাসনকালে ভারতীয় অর্থনীতি ছিল পাঁচটি ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে। কংগ্রেস সরকার নীতি পক্ষাঘাতের জন্য পরিচিত ছিল। অন্যদিকে আমাদের সরকারের ১০ বছরে ভারত শীর্ষ পাঁচটি অর্থনীতির মধ্যে একটি হয়েছে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের ওপর ধন্যবাদ সূচক বক্তৃতায় বুধবার রাজ্যসভার প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নিজস্ব ভাষণে ভারতের সম্ভাবনা, শক্তি এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যত সম্পর্কে কথা বলেছেন। আমি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

এরপরই প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “আমি সেদিন এই কথা বলতে পারিনি, তবে আমি খাড়গেজির প্রতি আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি সেদিন তাঁর কথা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছিলাম। লোকসভায় আমরা যে বিনোদনের অভাব বোধ করছিলাম, তা তিনি পূরণ করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে আপনাদের সামনে একটি চ্যালেঞ্জ উত্থাপন করা হয়েছে, যে কংগ্রেস ৪০ অতিক্রম করতে পারবে না (২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে)। আমি প্রার্থনা করি, আপনারা যেন ৪০ সুরক্ষিত করতে সক্ষম হন।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, “গত বছরের ঘটনা আমার মনে আছে। আমরা সেই ভবনে বসে থাকতাম, দেশের প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠকে চেপে রাখার চেষ্টা করা হতো… এখনও আপনারা না শোনার প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। কিন্তু আপনারা আমার কণ্ঠকে দমিয়ে রাখতে পারবেন না। দেশের মানুষ এই কণ্ঠকে শক্তিশালী করেছে… আমিও এবার প্রস্তুত হয়ে এসেছি।”

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, “মল্লিকার্জুন খাড়গেজি অনেকক্ষণ ধরে রাজ্যসভায় বক্তৃতা করেছিলেন এবং আমি ভাবছিলাম তিনি কীভাবে অনেকক্ষণ কথা বলার সুযোগ পেলেন। তারপরে আমি বুঝতে পারলাম, দু’জন বিশেষ কমান্ডার সেখানে অনুপস্থিত। তাই তিনি সেই সুবিধা নিয়েছেন এবং আমি মনে করি ‘এইসা মওকা ফির কাহা মিলেগা’ গানটা নিশ্চয়ই শুনেছেন খাড়গেজি।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, “যে কংগ্রেস আমাদের ভূমির একটি বড় অংশ শত্রুদের হাতে তুলে দিয়েছিল, যে কংগ্রেস দেশের সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণ বন্ধ করে দিয়েছিল, সেই কংগ্রেসই এখন আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছে, যে কংগ্রেস স্বাধীনতার পরও বিভ্রান্ত ছিল, শিল্প নাকি কৃষি কোনটা প্রয়োজনীয়। কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি, জাতীয়করণ গুরুত্বপূর্ণ নাকি বেসরকারীকরণ…যে কংগ্রেস ভারতের অর্থনীতিকে ১০ বছরে ১২ নম্বর থেকে ১১ নম্বরে নিয়ে এসেছিল…আমরা মাত্র ১০ বছরে ভারতের অর্থনীতিকে ৫ নম্বরে নিয়ে এসেছি।”