ছত্তিশগড়-১৫৮(৪৮.১)
ত্রিপুরা-৭১(২৯.৩)
ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ অক্টোবর।। পরাজয় দিয়ে আসর শেষ করলো ত্রিপুরা। আসরে ৫ ম্যাচ খেলে ত্রিপুরা জয় পেলো মাত্র ১ টি ম্যাচ। ৬ দলীয় ‘এ’ গ্রুপে পঞ্চম স্থান পেলো শ্রাবণী দেবনাথের মেয়েরা। সেই ব্যাটিং ব্যর্থতায় মরশুমে ভুগতে হলো ত্রিপুরাকে। নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে একমাত্র ম্যাচে জয় পেলেও ব্যাটসম্যান-রা তেমন আহামরি কিছুই করতে পারেননি। আগামী দিনে জাতীয় আসরে সাফল্য পেতে হলে ব্যাটসম্যানদের অনুশীলনের উপরই বেশী জোড় দিতে হবে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাকে। এমনই মনে করছেন রাজ্যেকর ক্রিকেট প্রেমীরা। নতুবা এভাবেই জাতীয় আসরে ত্রিপুরার সম্মান ডুবিয়ে ফিরে আসবেন ক্রিকেটরাররা। ইন্দোরের ইমারেন্ড হাইট ইন্টারন্যাশনাল মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ছত্তিশগড় প্রথমে ব্যাট নিয়ে ১৫৮ রান করে। বৃষ্টির জন্য খেলা মাঝপথে বন্ধ হওয়ায় ত্রিপুরার সামনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা দাড়ায় ১৩৪ রান ৩৮ ওভারে। ত্রিপুরা মাত্র ৭১ রান করতে সক্ষম হয়। ফলে ৬৩ রানে পরাজিত হয় ত্রিপুরা। ত্রিপুরার বিজয়া ঘোষ ৪ উইকেট পেয়েছেন। এদিন সকালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট নিয়ে ছত্তিশগড় ৪৮.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান করেন। দলকে কিছুটা বড় স্কোর গড়াতে মূখ্য ভূমিকা নেন মানসা সাও। ডান হাতি ওই ব্যাটসম্যানটি ৯৮ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪২ রান করেন। এছাড়া ছত্তিশগড়ের পক্ষে চিত্রা প্যাটেল ১৮ বল খেলে ৪ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯, সেজল ভার্মা ৫১ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯, রিয়া সিং ২৩ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৪ এবং তানিয়া বারিয়া ৩৪ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৪ রান করেন। দল অতিরিক্ত খাতে পায় ৩০ রান। ত্রিপুরার পক্ষে বিজয়া ঘোষ ৩৫ রান দিয়ে ৪ টি এবং পায়েল নম: ৩৪ রান দিয়ে ৩ টি উইকেট পেয়েছেন। জবাবে খেলতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ত্রিপুরা মাত্র ৭১ রান করতে সক্ষম হয় ২৯.৩ ওভারে। ত্রিপুরার কোনও ব্যাটসম্যানই তেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। রাজ্যদলের পক্ষে অশ্মিতা দেবনাথ ৪৭ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯ এবং প্রীয়া সরকার ২৯ বল খেলে ১ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৩ রান করেন। ত্রিপুরার আর কোনও ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের রানে পা রাখতে পারেননি। ছত্তিশগড়ের পক্ষে সাক্ষী শুক্লা ৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ত্রিপুরার কোমড় ভেঙ্গে দেন।

