কলকাতা, ৪ আগস্ট (হি. স.) : সুপ্রিম কোর্টের বড় স্বস্তি পেলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ২০ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায় খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।
রাজ্যের কাছে তথ্য প্রমাণ থাকলে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে পারবে রাজ্য পুলিশ, নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর পর সুবিচার চেয়ে
শুভেন্দুবাবু সুপ্রিম কোর্টে যান।
এদিনের এই রায় বিজেপি নেতার জন্য যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবার শুভেন্দু বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি করবেন।
শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চের সামনে শুনানির সময় শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী পি এস পাটোয়ালিয়া বলেন, ‘নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর থেকেই রাজ্য প্রশাসন শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেছে। মিথ্যা মামলায় শুভেন্দুকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। ১৯ জুলাই শুনানির সময় বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বেঞ্চে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে আদালতের পূর্ববর্তী রায়। বিচারপতি বলেন, এমন অন্তঃসারশূন্য রায় কি আমরা খারিজ বা বাতিল করতে পারি না?’
এই মামলার শুনানির পর ২০ জুলাই পূর্ববর্তী রায় খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয় শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হলে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে ডিভিশন বেঞ্চ এও জানিয়ে দেয়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আগে যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে, শুধুমাত্র হেনস্থা করার জন্য শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা যাবে না। তবে এফআইআর দায়েরের অর্থ যে গ্রেফতারি নয়, তাও বুঝিয়ে দেয় আদালত। অবশেষে শুক্রবার ২০ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায় খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।

