উত্তর জেলা (ত্রিপুরা ), ২১ মার্চ (হি.স.): পৃথক দুই স্থানে নেশা বিরোধী অভিযানে সাফল্য পেয়েছে চুড়াইবাড়ি ও ধর্মনগর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩০৫ কেজি শুকনো গাঁজা সহ গাড়ির চালককে আটক করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাশীষ সাহা ।উদ্ধারকৃত শুকনো গাঁজার বাজার মূল্য আনুমানিক ৩৫ লক্ষাধিক টাকা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে , তিন গাঁজা পাচারকারীকে আটক করে ত্রিশ কেজি গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ধর্মনগর থানার পুলিশ।
দেবাশীষ সাহা জানিয়েছেন, গোপন সংবাদে তাঁদের কাছে খবর আসে এ এস ০১ ডি ডি ৫৬৩৬ নম্বরের গাড়ি করে প্রচুর পরিমান গাঁজা পাচার করা হবে।ওই খবরের ভিত্তিতে চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ মঙ্গলবার দুপুর ১১টা নাগাদ আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কে নাকা চেকিং এ বসে। গাড়িটি আসা মাত্র আটক করে তাতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫ প্যাকেট অর্থাৎ ৩০৫ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্বার করা সম্ভব হয়েছে । গাঁজা গুলি লরির গোপন চেম্বারে করে আগরতলা থেকে গুহাটির পাচারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
সাথে তিনি আরও জানিয়েছেন,অসমের ডুবরী জেলার জগড়া পাড়ার বাসিন্দা মফিজুল হক (২৬)নামে গাড়ির চালককে আটক করে চুড়াইবাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার বাজার মূল্য আনুমানিক ৩৫ লক্ষাধিক টাকা হবে বলে জানিয়েছেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক। চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে সুনিদির্ষ্ট মামলা রুজ্জ করে তদন্তে নেমেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই দিনে সকাল ১১ টা নাগাদ দুর্গাপুর রেল স্টেশন গেট সংলগ্ন রাস্তা থেকে তিনজন গাঁজা পাচারকারীকে আটক করেছে ধর্মনগর থানার পুলিশ। তাঁদের চারটি ব্যাগ থেকে ১৬ প্যাকেটে মোট ত্রিশ কেজী শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মনগর থানার জনৈক পুলিশকর্মী । সাথে তিন যুবককেও আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন, ধনপুর যাত্রাপুর থানার অন্তর্গত বড় নারায়ণপুর এলাকায় বাসিন্দা মোস্তফা আহমেদ (৩৬), আমতলী থানার অন্তর্গত বাধারঘাটের বাসিন্দা শিফন দে (২১)ওপশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বারুয়ার বাসিন্দা হেফজুল শেখ (২৭) বলে জানিয়েছেন তিনি ।

