ওদালগুড়ি (অসম), ১৯ জুলাই (হি.স.) : বিটিআর তথা অসমে বিদ্যুৎক্ষেত্রের সোনালি যাত্রা শুরু হয়েছে আজ। অসমের জন্য আজ এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ওদালগুড়ি জেলার লালপুলে রাজ্যের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্ম।
এই প্রকল্পটি আজ অসম সৌরশক্তি নীতি-২০১৭-এর অংশ হিসেবে বিল্ড ওউন, অপারেটর বু মডেলের অধীনে জনসাধারণের জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে। ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সম্পন্ন এই প্ৰকল্পটি সফলতার সঙ্গে নিৰ্মাণ করায় অসম শক্তি বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড এবং আজিউর পাওয়ার প্ৰাইভেট লিমিটেডের সকল আধিকারিক-কৰ্মচারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্ম বলেন, প্ৰধানমন্ত্ৰী মোদীর আদৰ্শে তাঁর সরকার রাজ্যের বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের প্ৰয়োজনীয়তা পূরণের জন্য আগামী পাঁচ বছরে পরম্পরাগত উৎসের পরিবৰ্তে নবীকরণযোগ্য শক্তির বলে সবুজায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প নিয়েছে। বহনক্ষম উন্নয়নের ক্ষেত্ৰে রাজ্যকে বিকাশের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার যাত্ৰায় পরিবেশের অনুকূলে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্ৰীর সঙ্গে ছিলেন বিদ্যুৎ, কো-অপারেশন, খনি ও খনিজাত সম্পদ এবং আদিবাসী ও উপজাতীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্ৰী নন্দিতা গারলোসা, হাউজিং ও নগরোন্নয়ন এবং জলসেচ দফতরের মন্ত্রী অশোক সিংহল, বিটিআর-প্রধান প্ৰমোদ বড়ো, উপ-প্রধান গোবিন্দচন্দ্ৰ বসুমতারি, বিধায়ক চরণ বড়ো, মজিবুর রহমান সহ বিটিআর-এর বাকি সব কার্যনিবাহী সদস্য এবং বিদ্যুৎ বিভাগের শীৰ্ষ আধিকারিকবৃন্দ।
এদিক মুখ্যমন্ত্ৰী ওদালগুড়ি জেলার রৌতা বালিচিয়া গ্রামের বাসিন্দা অসম গৌরব পুরস্কারে সম্মানিত কল্পনা বড়োর বাড়িতে গিয়ে তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করে ঈশ্বরের কাছে প্ৰাৰ্থনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি কল্পনা বড়োর শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গকে গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা।
অঙ্গনওয়াড়ি কৰ্মী হিসেবে শিশুদের প্ৰাক্-প্ৰাথমিক শিক্ষা প্ৰদানের পাশাপাশি তাদের পুষ্টিকর আহার ও প্ৰসূতি মায়েদের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে দৃষ্টান্তমূলক নিদৰ্শন রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন কল্পনা বড়ো। তাঁর প্রয়াণ রাজ্যের সমাজজীবনের অপূরণীয় ক্ষতি, বলেছেন মুখ্যমন্ত্ৰী।

