রাজ্যসভা নির্বাচন : হরিয়ানায় বাজিমাত করল বিজেপি

নয়াদিল্লি, ১১ জুন (হি. স.) রাজ্যসভার ভোটে হরিয়ানায় বাজিমাত করল বিজেপি । দুটি আসনের একটি দখল করেছে বিজেপি প্রার্থী কৃষাণ লাল পানওয়ার। অন্য আরেকটি আসনে কংগ্রেসের অজয় মাকেনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন বিজেপি ও জেজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী কার্তিকেয় শর্মা।

বিজেপি এবং বিরোধীদের মতবিরোধের জেরে মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত হরিয়ানায়ও রাজ্যসভা ভোটের গণনা স্থগিত ছিল। তবে পরে ভোট গণনা হলে দেখা যায় হরিয়ানার একটি আসনে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী। অন্য আসনটি জিতেছেন বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী কার্তিকেয় শর্মা। ওই আসনে ওই নির্দল প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই ছিল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মাকেনের। প্রথমে মনে করা হয়েছিল যে মাকেন জিতেছেন। কিন্তু পরে জানা যায়, হেরে গিয়েছেন তিনি।

কারন বিজেপির দাবি মেনে বিধি ভাঙার অভিযোগে এক কংগ্রেস বিধায়কের ভোট খারিজ করে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি ক্রস ভোটিং করেন কংগ্রেস বিধায়ক কুলদীপ বিশনই। ফলে বিজেপির কিষেণলাল পনওয়ারের পাশাপাশি বিজেপি সমর্থিত নির্দল কার্তিকেয় শর্মাও জয়ী হয়েছেন। হেরে গিয়েছেন কংগ্রেসে অজয় মাকেন। হরিয়ানার পরিষদীয় পাটিগণিতের হিসেবে জেতার জন্য অন্তত ৩১টি ভোট প্রয়োজন। প্রধান বিরোধী কংগ্রেসের রয়েছে ৩১ জন বিধায়ক। কংগ্রেসের ‘ঘর’ ভাঙিয়ে জেতার জন্য মডেল জেসিকা লাল খুনের মামলার সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী মনু শর্মার ভাই কার্তিকেয়কে দাঁড় করিয়েছিল বিজেপি।

সূত্রের খবর, প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভজনলালের ছেলে কুলদীপ হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার দৌড়ে ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিংহ হুডার অনুগামী উদয়ভানকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে কারণেই ক্ষুব্ধ কুলদীপের প্রত্যাঘাত। প্রসঙ্গত, হুডার সঙ্গে মতবিরোধের কারণে ২০১১ সালে কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গড়েছিলেন কুলদীপ। কিন্তু ২০১৬-য় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগে দলে ফেরেন তিনি।