আগরতলা, ২২ ডিসেম্বর(হি. স.) : ত্রিপুরায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে খুব শীঘ্রই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। আজ টেট ১ ও টেট ২ পরীক্ষা এবং এসটিজিটি ও এসটিপিজিটি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। তার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তাঁর দাবি, ত্রিপুরায় সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর ৩০৫৬ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। আরও ২৬২২ জন শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয় শিক্ষা দফতর টিআরবিটি-র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করে। আজ টেট ও এসটিজিটি এবং এসটিপিজিটি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। তিনি জানান, টেট-১ ১১২২১ জন পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০৬১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। টেট-২ ১৪৪৩৯ জন পরীক্ষা দিয়েছিলেন এবং ২৬২৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। সাথে তিনি যোগ করেন, শিক্ষা দফতর ১৭৫ স্নাতক এবং ৬৩ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষক নিয়োগের জন্য টিআরবিটি-র কাছে প্রার্থী চেয়েছে। সে মোতাবেক স্নাতক শিক্ষক পদে ৩০২৫ জন পরীক্ষা দিয়েছিল এবং ৮৯৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। তেমনি স্নাতকোত্তর পদে ১৬৩ জন পরীক্ষা দিয়েছিলেন এবং ১৪০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, টিআরবিটি মেধা তালিকার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষা দফতরকে প্রস্তাব দেবে।
এদিন তিনি জানান, এখন টেট ১ এবং টেট ২ উত্তীর্ণদের নথিপত্র যাচাই করা হবে। এরপরই তাঁদের শংসাপত্র দেবে টিআরবিটি। তিনি বলেন, টেট শংসাপত্রের মেয়াদ আজীবন জন্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই, প্রয়োজন অনুযায়ী দফতর টেট উত্তীর্ণদের নিযুক্তি দেবে। সাথে তিনি যোগ করেন, ত্রিপুরার সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে স্নাতকোত্তর ১৩২ জন, স্নাতক ১৩১৩ জন, প্রাথমিক স্তরের স্নাতক শিক্ষক ১১৬১ জন এবং অস্নাতক ৪৫০ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তাতে, মোট ৩০৫৬ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে এবং আরও ২৬২২ টি শিক্ষক পদ খালি পড়ে রয়েছে। তাতে, নিযুক্তির পদক্ষেপ নেবে শিক্ষা দফতর, দাবি করেন তিনি। সাথে তাঁর আরও দাবি, ত্রিপুরায় টেট উত্তীর্ণ একজনও বেকার নেই।

