ত্রিপুরা ছাড়লেন বিদায়ী রাজ্যপাল রমেশ বৈশ, উষ্ণ সম্বর্ধনা

আগরতলা, ১৩ জুলাই : ত্রিপুরা ছাড়লেন বিদায়ী রাজ্যপাল রমেশ বৈশ। তাঁকে এমবিবি বিমান বন্দরে বিদায় সম্বর্ধনা জানান মুখ্য সচিব কুমার অলক, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক দেবপ্রিয় বর্ধন, রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক ভি এস যাদব সহ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকগণ। আগামীকাল তিনি ঝারখন্ডের ১০ম রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নেবেন।

তিনি ১৯৪৭ সালের ২ অগাস্ট ছত্তিশগরের রায়পুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু বিজেপি-তে যোগদানের মাধ্যমে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সংসদীয় রাজনীতি সুদক্ষ ব্যক্তি অনেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি ১৯৯৮ সালে প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হন। তারপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন।

তিনি ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই ত্রিপুরার ১৮তম রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। ইতিপূর্বে সাংসদ হিসেবে দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতিতে দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। ১৯৯৬ সাল থেকে ২৩ মে ২০১৯ পর্যন্ত তিনি রায়পুর থেকে সাংসদ ছিলেন। তার আগে তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন। অটল বিহারী বাজপেয়ীর মন্ত্রিসভায় ৯ জানুয়ারী থেকে ২৩ মে ২০০৪ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রকের রাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়্য়িত্ব সামলেছেন। তেমনি, ২৯ জানুয়ারী ২০০৩ থেকে ৮ জানুয়ারী ২০০৪ পর্যন্ত খনি মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০০ থেকে ২৯ জানুয়ারী ২০০৩ পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের রাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন। ১৩ অক্টোবর ১৯৯৯ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০০ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় রসায়ন ও সার মন্ত্রকের রাষ্ট্র মন্ত্রী, মার্চ ১৯৯৮ থেকে অক্টোবর ১৯৯৯ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ইস্পাত ও খনি মন্ত্রকের রাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে সফলতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০১৯ সালে তাঁকে প্রথম ত্রিপুরার রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এখন তিনি ঝারখন্ডের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন। আগামীকাল তিনি ওই রাজ্যের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নেবেন। সর্বদা হাসিমুখে থাকা রমেশ বৈশ ত্রিপুরায় রাজ্যপাল থাকাকালীন শাসক এবং বিরোধী উভয়ের সমস্যা শুনেছেন। শুধু তাই নয়, সেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টাও করেছেন।