আগরতলা, ৬ মার্চ: যুব মোর্চার মন্ডল সভাপতির বাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রামচন্দ্রঘাট এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে আজ রামচন্দ্রঘাট বাজারে পথ অবরোধে সামিল হয়ছেন বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মী-সমর্থকেরা।
অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় আটটা নাগাদ প্রায় শতাধিক তিপ্রা মথা কর্মী-সমর্থক রামচন্দ্রঘাট যুব মোর্চার মন্ডল সভাপতি রুপক ঘোষের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় গুরুতরভাবে আহত হন রুপক ঘোষ এবং তাঁর বৃদ্ধা মা মীরা ঘোষ। পরে তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আগামী ৮ মার্চ রামচন্দ্রঘাটে যুব মোর্চার উদ্যোগে একটি বাইক র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। সেই র্যালি ব্যর্থ করার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।
এছাড়াও বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, ত্রিপুরা স্বশাসিত জেলা পরিষদ (এডিসি) নির্বাচনের আগে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে বিরোধীরা এ ধরনের হামলার পথ বেছে নিচ্ছে। তাদের দাবি, ইতিমধ্যেই তিপ্রা মথা ছেড়ে বহু কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এর আগেও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রামচন্দ্রঘাট এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ এরই প্রতিবাদে রামচন্দ্রঘাট বাজারে পথ অবরোধে সামিল হয়ছেন বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মী-সমর্থকেরা।তাঁদের দাবি, শতাধিক তিপ্রা মথা কর্মী-সমর্থক রামচন্দ্রঘাট যুব মোর্চার মন্ডল সভাপতি রুপক ঘোষের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলায় গুরুতরভাবে আহত হন রুপক ঘোষ এবং তাঁর বৃদ্ধা মা মীরা ঘোষ। পরে তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের কাছে জমা দেওয়ার পরও অভিযুক্তদের আটক করেনি। পুলিশকে আজ সকলা নয়টার মধ্যে অভিযুক্তদের আটক করার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অতিসত্বর অভিযুক্তদের আটক করা না হলো আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন তাঁরা।

