আগরতলা, ১ ফেব্রুয়ারি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব ও দিশানির্দেশনায় আজ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দ্বারা প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬–২৭, ‘বিকশিত ভারত’-এর সংকল্প বাস্তবায়নের পথে একটি শক্তিশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ক পদক্ষেপ। বাজেট সম্পর্কে নিজ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এমনটাই বললেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
তিনি বলেন, এই বাজেট যুবসমাজের জন্য নতুন সুযোগ, কৃষকদের জন্য সুরক্ষা, উদ্যোক্তাদের জন্য উৎসাহ, মধ্যবিত্তদের জন্য স্বস্তি এবং শ্রমজীবীদের জন্য সম্মান নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে এটি উদ্ভাবন, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের প্রসার ঘটিয়ে কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিকাঠামো, পর্যটন, সংস্কৃতি এবং আমাদের জ্ঞান-ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করবে। প্রকৃত অর্থেই এই বাজেট “উন্নয়নও, ঐতিহ্যও” — এই মন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের সার্বিক উন্নয়নকে এই বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিকাঠামো, পর্যটন, উর্জা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বকে দেশের উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে আরও দৃঢ়ভাবে যুক্ত করা হয়েছে। এটি ‘ এ্যাক্ট ইস্ট, অ্যাক্ট ফাস্ট ’-এর দৃষ্টিভঙ্গিকে নতুন গতি প্রদানকারী একটি বাজেট।
সাংসদ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এমএসএমই, স্টার্টআপ এবং দেশীয় উৎপাদনকে শক্তিশালী সমর্থন দিয়ে ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করা হয়েছে। তিনি জানান , তিনি সম্পূর্ণ আশাবাদী, এই বাজেট সামাজিক ন্যায়, সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন এবং সুশাসনের মাধ্যমে বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের সমৃদ্ধশালী ভারত নির্মাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই দূরদর্শী ও জনকল্যাণমূলক বাজেটের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং অর্থমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।

