আজকের বাজেট ঐতিহাসিক, এটি ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন ও প্রত্যাশার প্রতিফলন : প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লি, ১ ফেব্রুয়ারি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭-কে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এই বাজেট ১৪০ কোটি ভারতবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং সংস্কারের যাত্রাকে আরও শক্তিশালী করে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করেছে।

লোকসভায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের পেশ করা বাজেটের পর টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাজেট একটি ‘সুযোগের মহাসড়ক’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের বাজেট ঐতিহাসিক। এটি ১৪০ কোটি ভারতবাসীর স্বপ্ন ও প্রত্যাশার প্রতিফলন। এটি সংস্কারের পথকে শক্তিশালী করে এবং বিকশিত ভারতের দিকে এগোনোর স্পষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরে।

তিনি জানান, এই বাজেটে দেশের নারীশক্তির ক্ষমতায়িত উপস্থিতির প্রতিফলন রয়েছে। পাশাপাশি, টানা নবমবার বাজেট পেশ করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন নজির গড়েছেন বলেও উল্লেখ করেন মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, চলতি বছরের বাজেট ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচিকে নতুন গতি ও শক্তি দিতে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী রূপরেখা তুলে ধরেছে।

তিনি বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার পথে এই বাজেট আমাদের যাত্রার ভিত্তি। এটি ভারতের সংস্কার এক্সপ্রেসকে নতুন শক্তি ও গতি দেবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভারত শুধু দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হয়ে থাকতেই সন্তুষ্ট নয়। এই বাজেট দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভিতকে আরও মজবুত করেছে।

মোদীর কথায়, আমরা শুধু দ্রুততম বৃদ্ধির অর্থনীতি হয়ে থাকতে চাই না। যত দ্রুত সম্ভব বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়াই আমাদের লক্ষ্য। এটাই কোটি কোটি দেশবাসীর সংকল্প।

তিনি জানান, এই বাজেটে বিশ্বাসভিত্তিক শাসনব্যবস্থা এবং মানবকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোর প্রতিফলন রয়েছে। একইসঙ্গে রাজকোষ ঘাটতি কমানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং উচ্চ মূলধনী ব্যয়ের মাধ্যমে শক্তিশালী অর্থনৈতিক বৃদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এবারের বাজেটে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতে যে সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তা তাদের স্থানীয় স্তর থেকে বৈশ্বিক স্তরে এগিয়ে যেতে নতুন শক্তি জোগাবে।

Leave a Reply