আগরতলা, ১ ফেব্রুয়ারি: ২০২৬ – ২৭ অর্থ বছরের বাজেটকে হতাশাব্যঞ্জক জনবিরোধী বাজেট বলে উল্লেখ করলেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি বলেন প্রতিবছরের মতো মুখরোচক কথায় ভর্তি এই বাজেট। গত ১০ ১১ বছর ধরে যা চলে আসছে গতানুগতিকভাবে এবারের বাজেটেও তাই লক্ষ্য করা গেছে। দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছে তা এবারের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী দ্বারা পেশকৃত বাজেটে স্পষ্ট।
বিরোধী দলনেতা আরো বলেন, বর্তমান সরকার প্রতি বছরই অনুমান নির্ভর বাজেট পেশ করছে। ফলে বছরের আয় ও ব্যয় কত হবে তা অনুমান করে বাজেট পেশ করা হলেও যখন সংশোধিত বাজেট পেশ করা হয় তখন লক্ষ্য করা যায় আনুমানিক আয় এর ধারে কাছে পৌঁছাতে পারেনি এই সরকার। আয় বৃদ্ধি না হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই জনহিত খাতে খরচ কমেছে বাড়ানো হয়নি। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সর্বক্ষেত্রে এই আয় কমে গেছে। বাজেটে এর কোন বৃদ্ধি হয়নি।
জনহিত খাতে বাজেট কমিয়ে কর্পোরেট ফার্মের ট্যাক্সের ছাড় দেওয়া হচ্ছে, এমন কি বড় বড় কর্পোরেট ব্যবসায়ীদের কর মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। যার ফলেই অর্থনীতিতে এ প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ করেন বিরোধীদল নেতা। কিন্তু অন্যদিকে ট্যাক্সের সাথে শুল্ক যোগ করা হচ্ছে। ফলে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। কর্মসংস্থানের অভাব দেখা দিচ্ছে। সবকিছুর জন্য এই কেন্দ্রীয় বাজেটকেই দায়ী করলেন বিরোধী দলনেতা।
এদিকে বাজেটে ভিবি জি রাম জি প্রকল্পে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোন অতিরিক্ত বাজেট যোগ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। এই বাজেটকে জনবিরোধী এবং হতাশাব্যঞ্জক বলেই উল্লেখ করেন তিনি। তার কথা এর ফলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের উপর এই বাজেটের বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে দাবি বিরোধীদল নেতার।

