জাতীয় ভোটদাতা দিবসে যুবশক্তিকেগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করতে ‘আমার ভারত,আমার ভোট’-‘মাই ভারত মাই ভোট’অভিযান  

আগরতলা, ২৪ জানুয়ারি :গণতন্ত্রেযুবসমাজের অংশগ্রহণ বাড়াতে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান-‘আমার ভারত,আমারভোট’ বা ‘মাই ভারত মাই ভোট’অভিযান।জাতীয় ভোটার দিবস বা ভোটদাতা দিবসকে কেন্দ্র করে ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা, নৈতিক ও সক্রিয় নির্বাচনী অংশগ্রহণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে ‘মাই ভারত’ উদ্যোগ হচ্ছে এই অভিযান।বিশেষত প্রথমবারের ভোটদাতাদের অগ্রাধিকার দিয়ে ‘মাইভারত মাই ভোট’ নামে পদযাত্রা ও সাইকেল র‍্যালিরমাধ্যমে জাতীয় ভোটার দিবসকে গণআন্দোলনে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।যুবশক্তিকে গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করার দূত হিসেবে গড়ে তোলাই এই কর্মসূচির মূলউদ্দেশ্য।এনিয়ে ‘মাই ভারত, ত্রিপুরা’-এর স্টেট ডিরেক্টর বি.পি.শাহি বলেছেন, ভারত সরকারের যুব বিষয়ক ওক্রীড়া মন্ত্রকের অধীন ‘মাই ভারত’ উদ্যোগে আগামী ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ জাতীয় ভোটার দিবসউপলক্ষ্যে দেশজুড়ে আয়োজন করা হচ্ছে “জাতীয় ভোটদাতা দিবসেরপদযাত্রা ও সানডে অন সাইকেল ২০২৬”।

সমস্ত রাজ্য ওকেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির রাজধানী এবং জেলা সদর দফতরে একযোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিতহবে। আগরতলায়ও ‘মাই ভারত ত্রিপুরা’র পক্ষ থেকে আগামী ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, সকাল ৭ টায় উজ্জ্বয়ন্ত প্রাসাদ প্রাঙ্গন থেকে উমাকান্তএকাডেমি পর্যন্ত ভোটার সচেতনতার পদযাত্রা ও সাইকেল র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে।কর্মসূচিরমূল লক্ষ্য যুবসমাজের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ সর্বাধিক করা এবংভোটদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো।

‘মাই ভারত মাই ভোট’ শিরোনামে এই উদ্যোগে প্রথমবারের ভোটদাতাদের বিশেষ গুরুত্বদেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ভোটার সচেতনতার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতা ও সামাজিকঅংশগ্রহণকে যুক্ত করে জাতীয় ভোটার দিবসকে একটি সক্রিয় গণআন্দোলনে রূপান্তর করারপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।কর্মসূচিরঅন্যতম উদ্দেশ্য হল তরুণ নাগরিকদের ভোটদানের গুরুত্ব সম্পর্কে সংবেদনশীল করা, ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করতে উৎসাহিত করা, ভোটার তালিকার তথ্য সংশোধনের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাএবং তৃণমূল স্তরে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করা। পদযাত্রা ও সাইকেল র‍্যালিরমাধ্যমে নাগরিকদের সমষ্টিগত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ভোটার সচেতনতার বার্তা ছড়ানোহবে।কর্মসূচিতেমাই ভারত-এর স্বেচ্ছাসেবক ও প্রথমবারের ভোটদাতারা সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন।অনুষ্ঠানের মধ্যে থাকবে পদযাত্রা ও সাইকেল চালানো, প্রথমবারেরভোটারদের সংবর্ধনা, ভোটার সচেতনতা বিষয়কআলোচনা, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান এবংজনসংযোগমূলক কর্মসূচি।দেশগঠনের ক্ষেত্রে এই ধরনের গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে যুবসমাজের অংশগ্রহণ অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ।

সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও নির্বাচনীপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অনুভূতি তৈরি হলে গণতন্ত্রের ভিত আরও শক্তিশালী হয়। এইউদ্যোগের মাধ্যমে যুবসমাজকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নাগরিকতার দূতহিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।  

Leave a Reply