কৈলাসহরে একের পর এক বড় চুরি অধরা, ছাগল চুরির ঘটনায় পুনর্গঠন সম্পন্ন, প্রশাসনের তৎপরতা ঘিরে প্রশ্ন

কৈলাসহর, ৯ জানুয়ারি: কৈলাসহর শহরে একের পর এক বড় ধরনের চুরি, অপরাধমূলক ঘটনা ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে যখন সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত, ঠিক সেই সময়ে একটি ছাগল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের তৎপরতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

শুক্রবার সকালে সমরুরপার এলাকায় জনতার হাতে আটক হওয়া এক ছাগল চোরকে নিয়ে ঘটনাস্থলেই পুনর্গঠন (রিকনস্ট্রাকশন) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রশাসন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, থানার ওসি, তদন্তকারী অফিসার ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত সাকির আলি কীভাবে ছাগল চুরি করেছিল, তা স্বচক্ষে দেখানো হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত বড় চুরি, দুষ্কৃতীমূলক কর্মকাণ্ড ও রাতের অন্ধকারে সংঘটিত অপরাধগুলির অনেকটাই এখনও “তদন্তাধীন” অবস্থায় রয়েছে, সেখানে একটি ছাগল চুরির ঘটনায় এত দ্রুত ও উচ্চপর্যায়ের তৎপরতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, ১ দিন আগেও কৈলাসহরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে প্রশাসনের হাতে এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

এদিকে জনতার মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া অভিযুক্তকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটনার পুনর্গঠন করা হয়েছে। ফলে স্থানীয়দের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে কৈলাসহর থানার ওসি তাপস মালাকার জানান, ছাগল চুরির ঘটনায় জড়িত বাকি দুই অভিযুক্তকেও খুব শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা হবে। তবে শহরবাসীর একাংশের প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—বড় মাপের চুরি ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেও কবে এই ধরনের তৎপরতা দেখা যাবে।

Leave a Reply