আগরতলা, ২ জানুয়ারি: শুক্রবার বিকেল নাগাদ সাব্রুম মহকুমা শাসক দপ্তর সংলগ্ন এলাকায় এসটিএফের অভিযানে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। হঠাৎ এই অভিযান কেন এবং কী উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনও মহলই স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। স্থানীয় প্রশাসনও এ নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি।
সূত্রের খবর, অভিযানের শুরুতে এসটিএফ বাহিনী মহকুমা শাসকের দপ্তর সংলগ্ন এলাকায় একাধিক বাড়িতে যায় এবং সেখানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেয়। এরপর তারা ওই এলাকায় অবস্থিত একটি সিএইচসি সেন্টারে গিয়ে সেখানে ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলি পরীক্ষা করে।
পরবর্তী পর্যায়ে আরেকটি সিএইচসি সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। ওই সেন্টারটি বন্ধ থাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তালা খুলে তল্লাশি চালানো হয় এবং সেখান থেকে কম্পিউটার সিজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও মনুঘাট বাজারের একটি সিএইচসি সেন্টারেও তল্লাশি চালানো হয়।
বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট দুটি সিএইচসি সেন্টারে হাই-স্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করা হচ্ছিল। কেন এবং কী উদ্দেশ্যে এই উচ্চগতির নেট পরিষেবা ব্যবহৃত হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখতেই মূলত এই তল্লাশি চালানো হয় এদিন। এছাড়াও, সাব্রুম ৪০ মণ্ডলের সহ-সভানেত্রী দেবযানী দাসের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে এই অভিযান কোনও আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধের সূত্র ধরে চালানো হয়েছে কি না, সে বিষয়েও জল্পনা চলছে।
প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা এই অভিযানের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে শেষ পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট কারণের সন্ধান মেলেনি। বিশেষ সূত্রের দাবি, এই ঘটনার তদন্তে আগামীকালও তল্লাশি অভিযান জারি থাকতে পারে।
———

