আগরতলা, ১৬ অক্টোবর:
কখনো বা রামঠাকুর সেবা মন্দির, কখনো বা দুর্গাবাড়ি আবার কখনো বা মহকুমা শাসক অফিসের ক্যান্টিন, প্রতিনিয়ত নেশাখোরদের দৌড়াত্বে অতিষ্ঠ সোনামুড়াবাসী। নেশার খোরাক যোগাতে প্রতিরাতেই হানা দিচ্ছে বাড়িঘরের পাশাপাশি শহরের প্রাণকেন্দ্রের মন্দিরগুলিতে। এমনকি বাদ পড়ছে না খোদ সোনামুড়া মহকুমা শাসক অফিসের ক্যান্টিন ও। এবারে ফের মন্দিরে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গতকাল রাতে সোনামুড়া ঐতিহ্যবাহী দুর্গাবাড়ির প্রণামী বাক্সে থাবা বসালো নিশি কুটুমরা। প্রণামী বাক্স ভেঙ্গে নিয়ে যায় সমস্ত অর্থরাশি। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানায় প্রতিবছর দীপাবলি অর্থাৎ কালীপুজোর পরেই এই প্রণামী বাক্স খোলা হয় যার থেকে প্রায় ভালো অংকের একটা প্রণামী অর্থ পাওয়া যায় আর সেগুলিকে মন্দিরের উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়। কিন্তু হঠাৎই আজ মন্দির কর্তৃপক্ষ এই দুর্গাবাড়িতে আসতেই চুরির ঘটনা প্রত্যক্ষ করে।
সোনামুড়া জেলা ও দায়রা জজের আদালতের পাশেই এমনকি মহকুমা শাসক অফিস সংলগ্ন এই দুর্গা বাড়িতে চুরির ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র এলাকায়। তাছাড়া বেশ কিছুদিন পূর্বে সোনামুড়া মহকুমা শাসক অফিস ক্যানটিনেও থাবা বসায় চোরেরা। নিয়ে যায় গ্যাস সিলিন্ডার সহ বেশ কিছু মূল্যবান আসবাবপত্র। তাই প্রতিনিয়ত এই ধরনের চুরি কাণ্ডের ঘটনায় রীতিমতো রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এলাকাবাসীর।
একাংশের অভিমত নেশার রমরমাতেই এই ধরনের চুরি কান্ডের ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে আর যেটা বাগে আনতে পারছে না মহকুমা পুলিশ প্রশাসন। নেশার খোরাক যোগাতেই এই ধরনের চুরি-কাণ্ড সংঘটিত করছে নেশাখোররা, দাবি প্রশাসনের। যদিও পরবর্তী সময়ে দুর্গাবাড়ি মন্দির কমিটির সদস্যরা সোনামুড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ মন্দিরে গিয়ে ঘটনা প্রত্যক্ষ করে বলেও জানা যায়। প্রতিনিয়ত এ ধরনের ঘটনায় রীতিমতো প্রশাসনিক ব্যর্থতাকে দায়ী করছে সাধারণ মানুষ, দাবি উঠেছে সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার।

