জিএসটি সংস্কারে সস্তা হবে চিকিৎসা, জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা

নয়াদিল্লি, ৪ সেপ্টেম্বর: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা বৃহস্পতিবার জানান, সদ্য ঘোষিত জিএসটি সংস্কার “পরবর্তী প্রজন্মের” পদক্ষেপ, যা দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা খরচ কমিয়ে ‘সুস্থ ও ফিট ভারত’-এর দিকে এগিয়ে যাবে।

জিএসটি কাউন্সিল, যার সভাপতিত্ব করছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, বুধবার বৈঠকে চারটি স্ল্যাব কমিয়ে দু’টিতে নামিয়ে আনে—১২ শতাংশ এবং ২৮ শতাংশ হার বাতিল করে ৫ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ হার বজায় রাখা হয়েছে।

এই সংস্কারের ফলে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত পণ্য ও কিছু চিকিৎসা সরঞ্জামের উপর জিএসটি হ্রাস পেয়ে ১২%/১৮% থেকে ৫% বা শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

নাড্ডার কথায়, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির দূরদর্শী নেতৃত্বে ঐতিহাসিক জিএসটি সংস্কার, সর্বজনীন সুলভ স্বাস্থ্যসেবার পথে এক বিশাল পদক্ষেপ।”

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রী বলেন, “অত্যাবশ্যক ওষুধ ও যন্ত্রপাতির উপর জিএসটি এখন ৫% বা শূন্য। স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার উপর জিএসটি সম্পূর্ণ মাফ। সস্তা হয়েছে চশমা ও ডায়াবেটিক খাদ্য। এটা সত্যিকারের পরবর্তী প্রজন্মের জিএসটি — সুস্থ ভারতের জন্য।”

তিনি আরও জানান, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ডায়াগনস্টিকের উপর কর হ্রাস করা হয়েছে। জিম ও ওয়েলনেস পরিষেবাও সস্তা হয়েছে। “প্রিভেন্টিভ হেলথ এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে — ফিট ও হেলদি ভারত গড়ার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ,” বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জীবন রক্ষাকারী ওষুধে শূন্য শতাংশ জিএসটি, বিশেষ করে ক্যান্সার ও বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধে কর মকুব, সরকার যে গরিব ও মধ্যবিত্তের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ — এই সংস্কার সেই প্রতিশ্রুতি পুনরায় প্রমাণ করে, বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, “এই সংস্কারে একদিকে যেমন পরিবারের খরচের ভার হালকা হবে, তেমনই বিভিন্ন খাতে স্বস্তি আসবে। একইসঙ্গে দেশের ছোট ব্যবসারাও লাভবান হবে, কারণ এটা ব্যবসার সহজতার দিকেও বড় পদক্ষেপ।”

শেষে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘ইজ অফ লিভিং’ ভাবনা জিএসটি সংস্কারের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে।”