ধর্মনগর, ১৩ জুন : অবশেষে পুলিশের ঘুম ভাঙলো। স্থানীয়দের কাছ থেকে একটি ফ্যামিলি সেলনের বিরুদ্ধে উঠে আসছিল অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ। এরই ভিত্তিতে এবার নড়েচড়ে বসল ধর্মনগর থানা। ধর্মনগর থানার ১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে গড়ে ওঠা দি ইউনিক ক্রিয়েশন্স ফ্যামিলি সেলুন নামক দোকানের মধ্যে পুলিশের অভিযান চলে শুক্রবার।
ধর্মনগর থানার পুলিশ আধিকারিক জানান, মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে খবর আসে সেই দোকানে একটি ঝামেলা চলছে। তখন পুরুষ এবং মহিলা পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা ছুটে আসে সেখানে। অভিযোগ ছিল সেখানে অবৈধ ব্যবসা চলছে। জানা যায় পুলিশ আসার পূর্বেই সেই দোকানের ম্যানেজার পালিয়ে যায়। সেই দোকানে তখন উপস্থিত ছিল চারজন মহিলা এবং একজন পুরুষ অর্থাৎ সেই দোকানের কর্মচারী। মহিলাদের প্রত্যেকের বাড়ি ঊনকোটি এবং ধলাই জেলায়। সেই দোকানের ভিতরে দেখা গেছে ভেতরে দুটি আলাদা কেবিন রয়েছে। কেবিনের মধ্যে বিছানাও রয়েছে যা বাইরে থেকে কোন কিছু বোঝা যায় না। ম্যানেজার না থাকায় কোন কিছু জানা যায়নি সেই দোকান সম্পর্কে।
যতটুকু জানা গেছে, দোকানে কোন বৈধ লাইসেন্স নেই। সেই দোকানে পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ছুটে যায়। কিন্তু সাংবাদিকরা যাবার পর পুলিশের সামনে বাড়ির মালিক বিশ্বেশ্বর ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। একটা সময় সাংবাদিকদের চাপে পড়ে বাড়ির মালিক বিশ্বেশ্বর ভট্টাচার্য পালিয়ে যায়। এখন পুলিশের তদন্তে বোঝা যাবে যে এই সেলুনেটি বৈধ না অবৈধ এবং সেলুনে ভিন্ন জেলার যে চার মহিলা উপস্থিত ছিল তারা কে? কি কারনে সেলুনের মধ্যে দুদিকে দুটি কেবিন রয়েছে এবং কেবিনের মধ্যে বিছানা রয়েছে তারও রহস্য উন্মোচন হবে পুলিশের তদন্তে। পাশাপাশি পুলিশের অভিযানের সময় সেলুনের ম্যানেজার কি কারনে পালিয়ে গেল এবং বাড়ির মালিক সাংবাদিকদের ছবি তুলতে কেন বাধা দিলেন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে।

