৮ম বেতন কমিশন, রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন সহ বিভিন্ন বিষয়ে ষোড়শ অর্থ কমিশনের সঙ্গে কথা হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৩১ জানুয়ারি: ৮ম বেতন কমিশন বাস্তবায়ন নিয়ে কথা হয়েছে ষোড়শ অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে খেটে খাওয়া মানুষ, সরকারি কর্মচারী সহ রাজ্যের সকল অংশের মানুষের কল্যাণের কথা মাথায় রেখে কথা হয়েছে। রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন, আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। শুক্রবার আগরতলায় সংবাদ মাধ্যমের সামনে এই তথ্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, ষোড়শ অর্থ কমিশনের কাছে রাজ্যের ভয়াবহ বন্যায় ১৫,০০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এর পাশাপাশি ডিএ, পরিকাঠামো উন্নয়ন করা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলা হয়েছে। আমরা আমাদের যাবতীয় বিষয়াদি তাঁদের সামনে উত্থাপন করেছি। তাঁরাও ত্রিপুরার আর্থিক শৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে সহমত পোষণ করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যে প্রায় ৭৩% সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে। এজন্য এখানে সমতল ভূমি অনেকাংশে কম। এখানে বড় বড় ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলা যায় নি। এর উপর ভিত্তি করে আমাদের বিবেচনা করার জন্য বলা হয়েছে তাদের। মূলত, এটা একটা রিকমেন্ডেশন কমিটি বা এডভাইজারি কমিটি। তাঁরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। তাঁরা সন্তুষ্ট। এদিন এডিসিতে সরাসরি অর্থ বরাদ্দ, ৮ম বেতন কমিশন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদ মাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, সাধারণ মানুষ, খেটে খাওয়া মানুষ, সরকারি কর্মচারী সহ সকল অংশের মানুষের কল্যাণের ভাবনা নিয়ে ষোড়শ অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সবকা সাথ সবকা বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিকশিত ভারত গঠনে গুরুত্ব দিয়েছেন। আর আমরা ২০৪৭ এর মধ্যে বিকশিত ত্রিপুরা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি। উল্লেখ্য, গত ২৯ জানুয়ারি রাজ্য সফরে আসে ষোড়শ অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিদল। পরদিন অর্থাৎ গতকাল সচিবালয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা সহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্য এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন অর্থ কমিশনের প্রতিনিধিগণ।