আগরতলা, ৩ ডিসেম্বর : বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতন এবং চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতারের ঘটনায় ত্রিপুরায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় ওই ঘটনার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আজ এরই প্রতিবাদে এক সংগঠনের তরফ থেকে বাংলাদেশ চলো অভিযান কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। তার প্রেক্ষিতে আখাউড়া রোড এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তার জন্য দুটি বাঁশের ব্যারিকেড করা দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতন এবং চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে আগরতলা বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশন অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে হিন্দু সংর্ষঘ সমিতি। এদিন আন্দোলনকারীরা অফিসের সামনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আগুনে পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। ওই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। গতকাল রাতেই পুলিশ ওই ঘটনায় জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এবিষয়ে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপার কিরণ কুমার কে জানিয়েছেন, আজ এক সংগঠনের তরফ থেকে বাংলাদেশ চলো অভিযান কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। তার প্রেক্ষিতে আখাউড়া রোড এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে রেখে দুটি বাঁশের ব্যারিকেড করা দেওয়া হয়েছে। এদিন তিনি আরও বলেন, গতকাল বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনে ভাঙচুরের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ পুলিশ রিমান্ড চেয়ে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও অনেকের নাম উঠে আসবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের ম্যানজার দেবাশিষ নন্দী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি ও রপ্তানি স্বাভাবিক রয়েছে।