আগরতলা, ২ ডিসেম্বর : উত্তরের তিনটি জেলা জুড়ে ফাস্টফুড এবং ভেজাল খাদ্য দ্রব্যের দোকান লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। উত্তরের তিনটি জেলার মধ্যে কুমারঘাট সবচেয়ে আগে রয়েছে।
লাগিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ফাস্টফুড এবং ভেজাল খাদ্যের দোকান। কুমারঘাট শহরে ফাস্টফুডের দোকান ইতিমধ্যে ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। পিছিয়ে নেই উত্তর জেলা সদর ধর্মনগর। কাঞ্চনপুরের মত মিশ্র জনবসতিপূর্ণ এলাকায়ও ফাস্টফুড এবং ভেজাল খাদ্যদ্রব্যে বিক্রির দোকানের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। হাত বাড়ালেই এই সমস্ত দোকানগুলো পাওয়া যাচ্ছে। বলা যায়, দোকানের অভাব নেই। এই সমস্ত বেশিরভাগ দোকানেই বাসি পচা খাবার দেদার বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কুমারঘাট সদর এবং আনাচে কানাচে এই ধরনের বেশ কিছু খাবারের দোকানে বিক্রি হচ্ছে অসুরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য কিন্তু প্রশাসন নির্বিকার।
মহকুমা প্রশাসন বা জেলা প্রশাসনগুলি সব কিছু দেখেও না দেখার ভান করে আছে। মাঝেমধ্যে ক্রেতারা প্রতিবাদী হলে লোক দেখানো অভিযান চালানো হয়। কিন্তু যারা মেয়াদ উত্তীর্ণ ও ভেজাল মালের বড়মাথা বলে পরিচিত তাদের নামে মামলা তো দূরের কথা কোন জরিমানা পর্যন্ত করা হচ্ছে না। ফলে ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ সামগ্রীর রমরমা বাণিজ্য অব্যাহত রয়েছে। ভেজাল বিরোধী অভিযানের মালিক সেনেটারি ইন্সপেক্টরদের কাজ। কিন্তু মহকুমা প্রশাসন বা জেলা প্রশাসন কার্যত হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে।

