জাতীয় সড়ক নির্মাণে সরকারি অর্থের নয়ছয়

আগরতলা, ১৫ জুন: জাতীয় সড়ক নির্মাণে সরকারি অর্থের হরির লুট। মাত্র দেড় কানি জমির উপর সার্ভের পরবর্তী সময়ে করা সুপারি ও লেবু চাড়া গাছের বাজেট এলো ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮১ হাজার ১০০ টাকা সার্ভে অনুযায়ী।এতে করে জমির মালিক জহর দেববর্মার পরিবার কয়েক যুগ যুগ বসে খেতে পারবে।

এই বাজেটের রাশির বিষয় সামনে আসতেই রীতিমত কম্পন শুরু হয়ে যায় সরকারের অন্দর মহলে।১০৮ নং জাতীয় সড়কের লেম্বুছড়া থেকে ০৮ নং জাতীয় সড়ক এম বি বি বিমানবন্দর পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে। লেম্বুছড়া থেকে এম বি বি বিমানবন্দর পর্যন্ত পুরান রাস্তা না ধরে সম্পূর্ণ নতুন রাস্তা অর্থাৎ জমির উপর দিয়ে এই রাস্তার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২২ সালে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক কার্যালয় থেকে এই সড়কের সার্ভে করা হলে,রাস্তার গতি পথে যার জমি,বাড়ি ঘর এসেছে তারা সেই মোতাবেক টাকাও পেয়েছেন অনেকই।কিন্তু লেম্বুছড়া শংকর সেনাপতি পাড়ার বাসিনা জহর দেববর্মার প্রায় দেড় কানি জায়গার সার্ভের পরবর্তী সময় করা সুপারি ও লেবু চাড়া বাবদ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক কার্যালয়ের সার্ভে অনুযায়ী বাজেট আসে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮১ হাজার ১০০ টাকা।

এই বাজেটের বিষয় সামনে আসতেই এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় কি ভাবে এত টাকা বাজেট আসে।বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে এই সার্ভের সঙ্গে যুক্ত একাংশ কর্মীদের বিশাল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এই বাজেট বানিয়েছেন জহর দেববর্মা।

পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসক কার্যালয় তরফে যে সার্ভেটি করানো হয় এবং এতে ষ সরকারি অর্থের হরির লুটের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।জহর দেববর্মার এই বাজেট আসতেই তার জমির উপর যে পরিমাণ গাছ,সুপারি ও লেবুর চাড়া রয়েছে তার মধ্যে দিন রাত তফাৎ সামনে আসে এবং বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায় যে জহর দেববর্মা একাংশ সার্ভেয়ার ও কর্মীদের বিশাল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই বাজেট বানিয়েছেন,রীতিমত কম্পন শুরু হয় সরকারের অন্দরে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে উনার জমি পুনরায় মোহনপুর মহকুমা শাসক কার্যালয় তরফে সার্ভে করানো হয়।

কিন্তু এই বিষয় উপস্থিত ডি সি এম মোহনপুর , এন এইচ আই ডি সি এল বা জায়গার মালিক জহর দেববর্মা এমনকি মোহনপুর মহকুমা শাসক কার্যালয় তরফেও কোনো প্রতিক্রিয়া বা স্পস্টিকরণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *