রবি মরশুমে রাজ্যের কৃষকদের কাছ থেকে ১৫ হাজার মেট্রিকটন ধান সহায়ক মূল্যে ক্রয় করা হবে : খাদ্য মন্ত্রী

আগরতলা, ১০ জুন : রাজ্য সরকার এবছর রবি মরসুমে কৃষকদের কাছ থেকে ন্যূনতম সহায়ক মুল্যে ১৫ হাজার মেট্রিকটন ধান ক্রয় করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। প্রতি কেজি ধান ২১ টাকা ৮৩ পয়সা দরে ক্রয় করা হবে। আগামী ১৫ জুন, ২০২৪ থেকে রাজ্যে সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় করা শুরু হবে। আজ সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে খাদ্য জনসংভরণ ও ক্রেতা স্বার্থ বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে খাদ্য মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, রাজ্যস্তরে এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে দক্ষিন ত্রিপুরা জেলার জোলাইবাড়িতে। রাজ্যের ৬টি জেলা যথাক্রমে পশ্চিম ত্রিপুরা, সিপাহীজলা, খোয়াই, ধলাই, দক্ষিণ ত্রিপুরা ও গোমতী জেলার ৩১টি ব্লকের ধান ক্রয় কেন্দ্রে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হবে। খাদ্যমন্ত্রী জানান, রবি মরশুমে কৃষকদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় করা নিয়ে আজ মহকুমা শাসক, বিডিও, কৃষি দপ্তরের জেলা ও মহকুমা আধিকারিক এবং খাদ্য দপ্তরের বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের সাথে এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে খাদ্য মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, ২০১৮ সালে রাজ্যে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে খরিফ ও রবি মরসুমে বছরে দু’বার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার কর্মসূচি শুরু করা হয়েছিল। ২০১৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সরকারি উদ্যোগে রাজ্যে মোট ১ লক্ষ ৯২ হাজার ৫২ মেট্রিকটন ধান কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে। তাতে রাজ্য সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৭২ কোটি টাকা। এরফলে উপকৃত হয়েছেন রাজ্যের ১ লক্ষ ৩০৯ জন কৃষক। মূলতঃ কৃষকদের আয় দ্বিগুন করা এবং তাদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য প্রদান করে তাদের অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে শক্তিশালী করে তুলতেই রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ।

খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, খাদ্য শস্য পরিবহনের জন্য খাদ্য দপ্তর আরও ৫টি নতুন ট্রাক ক্রয় করেছে। তাতে প্রায় ১ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। আগামীকাল আগরতলার এডি নগরস্থিত সেন্ট্রাল স্টোরে এই ট্রাকগুলির আনুষ্ঠানিক ফ্ল্যাগ অফ করা হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে খাদ্য জনসংভরণ ও ক্রেতা স্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের বিশেষ সচিব রাভেল হেমেন্দ্র কুমার, খাদ্য দপ্তরের অধিকর্তা নির্মল অধিকারী ও দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *