বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু  বাংলাদেশী পাচারকারীর, উদ্ধার চিনি সহ ধারালো অস্ত্র

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জুন:
বিএসএফ-এর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক বাংলাদেশী পাচারকারীর। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকলের।

ঘটনার বিবরনে জানা গেছে, রবিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭ টা নাগাদ বিএসএফ সৈন্যরা বিওপি কলমছেড়া এলাকায় দায়িত্ব পালন করার সময় লক্ষ্য করেন, সীমান্ত বেড়ার দুপাশে ধারালো অস্ত্র সজ্জিত রয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপারে পণ্য পাচারের চেষ্টা করছে চোরাকারবারীদের একটি বড় দল। সঙ্গে সঙ্গে তাদের থামার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলে চোরাকারবারীরা কোনো কর্ণপাত করেনি বরং তারা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানকে তারা আক্রমণ করার চেষ্টা করে এবং তার ব্যক্তিগত অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানকে ঘেরাও করার চেষ্টা করে।

         জীবন এবং সরকারী সম্পত্তির জন্য আসন্ন বিপদ অনুভব করে, বিএসএফ জওয়ান আত্মরক্ষায় জন্য ০১ রাউন্ড পিএজি গুলি চালায়।  অস্ত্রের ব্যবহার চোরাকারবারীদের আরও উৎসাহিত করে এবং তারা তাদের আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়। অবশেষে তা হাতাহাতির রূপ নেয়। যার ফলে সিটি রাজীব কুমার, তার জীবন এবং অস্ত্র সংকট অনুভব করে তার ইনসাস রাইফেল থেকে এক রাউন্ড গুলি চালাতে বাধ্য হন।  ফলস্বরূপ একজন বাংলাদেশী পাচারকারী সীমান্ত বেড়ার কাছে এবং ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ১৫০ গজ ভিতরে নিহত হয়।

         পরে এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ চিনি, ০৪টি ছুরি ও কাঠের তক্তা উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় নিহত পাচারকারীর নাম আনোয়ার হোসেন (৩৫), পিতা মৃত চারু মিয়া, মিরপুর, ওয়ার্ড নং-৫, পিএস বুড়িচং, জেলা কুমিল্লা, বাংলাদেশের বাসিন্দা।

     উল্লেখ্য গত ২ জুন একই এলাকায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। যেখানে এই বাংলাদেশী চোরাকারবারীরা একজন বিএসএফ কনস্টেবলকে নির্মমভাবে হেনস্থা করেছিল। তাকে বাংলাদেশের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং তার ব্যক্তিগত অস্ত্র (পিএজি) এবং রেডিও সেটও ছিনিয়ে নিয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *