হাফলং (অসম), ২৫ মে (হি.স.) : অসহ্য গরমের জেরে ডিমা হাসাও জেলার বিদ্যালয়গুলিতে পাঠদানের সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। গত কয়েকদিন থেকে অসমে বেড়েছে গরমের দাপট। বাদ যায়নি অসমের অন্যতম পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাও।
গত কয়েকদিন থেকে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে পাহাড়ি জেলায়। গত এক সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা কখনও বেড়ে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস আবার কখনও ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়ায়ের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে অনুভূতি হচ্ছিল ৪০ ডিগ্রির মতো। তাছাড়া বাতাসে আর্দ্রতা বহু বেড়ে গেছে। যার দরুন গরমে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
আজ শনিবার হাফলঙে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কিন্তু অনুভূতি হচ্ছে ৪০ ডিগ্রির মতো। এর আগে কখনও এই পাহাড়ি জেলায় এত গরম অনুভূত হয়নি। তাই গরমের মাত্রা বৃদ্ধি হওয়ায় ডিমা হাসাও জেলার অন্তর্গত সমস্ত বিদ্যালয়ে আগামী সোমবার (২৭ মে) থেকে পাঠদানের সময়সূচি পরিবর্তন করেছে জেলার শিক্ষা বিভাগ।
ডিমা হাসাও স্কুলসমূহের পরিদর্শক এক নির্দেশ জারি করে বলেছেন, আগামী ২৭ মে থেকে নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হবে সকাল ৮-টা থেকে, চলবে ১২টা ৩০ পর্যন্ত। আপার প্রাইমারি বিদ্যালয়গুলিতে ক্লাস শুরু হবে সকাল ৮-টা থেকে চলবে বেলা ১-টা পর্যন্ত এবং হাইস্কুল ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলিতে সকাল ৮-টা থেকে বেলা ১:৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাস চলবে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমা হাসাও জেলায় অত্যধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে অবাধে বনাঞ্চল ধ্বংস, গাছপালা কেটে ফেলা ও জুম ক্ষেতের জন্য পাহাড় জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পাহাড়ি নদীগুলি থেকে পাথর তুলে নেওয়া। এ সবের এই মরশুমে পাহাড়ি জেলায় এক সময় ঠাণ্ডা অনুভব হতো। কিন্তু বেশ কয়েক বছর থেকে গরমের পারদ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি হচ্ছে।
2024-05-25

