উত্তর ২৪ পরগনা, ৬ মার্চ (হি.স.) : বারাসতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় আসার পথে বাধা পেয়ে ক্ষুব্ধ সন্দেশখালির মহিলাদের একাংশ। সূত্রের খবর, বুধবার মোদীর সভাস্থল ছেড়ে যাওয়ার পর এসে পৌঁছোন তাঁরা। মঞ্চের পিছনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মহিলারা। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয় মঞ্চের পিছনে।
সন্দেশখালি নিয়ে বারাসতের মঞ্চ থেকে মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পূর্বাভাস দিয়েছেন ‘ঝড় ওঠার…’ আর ‘নারী শক্তি জাগরণে’র। বারাসতের সভাতেই উপস্থিত ছিলেন সন্দেশখালির একদল মহিলা। আর সভা শেষ হতেই মঞ্চের পিছনে সন্দেশখালির ৫ মহিলার সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছিলেন বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহ।
সন্দেশখালির পথে আটকে পড়া মহিলাদের অভিযোগ, তাঁরা বাসে করে বারাসতের সভায় যোগ দিতে আসছিলেন। মাঝপথে তাঁদের বাস আটকে দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় তাঁদের বাস আটকে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁরা দেখা করতে পারেননি।
অভিযোগ, পুলিশই বারাসতের ডাক বাংলো মোড়ে বাস আটকে দেয়। প্রধানমন্ত্রী যখন সন্দেশখালি নিয়ে ভাষণ রাখছিলেন, তখন তাঁদের বাস ছিল বারাসত ডাকবাংলো মোড়ে। পুলিশকে বারবার বলা সত্ত্বেও বাস আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
তাঁদের মধ্যে ছিলেন সন্দেশখালির এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রধানও। সেই মহিলা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের আসতে বলেছিলেন। কথা বলতেন। আমাদের তিন জনকে আটকে দেওয়া হয়। হাতিশালার ওখানে আটকে দেওয়া হয়। বারবার আমাদের তল্লাশি করছিল পুলিশ।”
আর এক মহিলা বলেন, “আমরা যেহেতু আন্দোলনকারী, তাই আমরা যাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছতে না পারি, তাই আটকে দেওয়া হয়েছিল।” এদিন আবারও সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে সন্দেশখালির মহিলারা বলেন, ‘দিদি আমরা মোদীজীর সঙ্গে দেখা করতে চাই।’

