আগরতলা, ২৭ ডিসেম্বর : আগামী ২০৪৭ সাল পর্যন্ত দেশের রূপরেখা জনসম্মুখে তুলে ধরাই বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার মূল উদ্দেশ্য। তেমনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে আগামী ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ত্রিপুরার রূপরেখা তৈরী করা হয়েছে। আজ চড়িলাম ব্লকের অন্তর্গত উত্তর চড়িলাম গ্রাম পঞ্চায়েতে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা একথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক।
এদিন তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশের জনগনরা তাঁকে প্রধান সেবক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। গত ৯ বছরে সেই দায়িত্ব কতটুক পূরণ করতে পড়েছেন তা বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে। তাই তিনি ১৫ নভেম্বর থেকে ওই যাত্রার শুরু করেছেন।
তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষকে সুবিধা প্রদানে ক্ষেত্রে মোট ১৭টি প্রকল্পের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণকে সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দিতে মোদীর গ্যারান্টির গাড়ি বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গেছে।
এদিন তিনি আরও বলেন, বাম আমলে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা প্রধান ও উপপ্রধানের কাছে বলতে পারেননি। নিজেদের সমস্যার কথা তাঁদের কাছে তুলে ধরা কল্পনার বিষয় ছিল। কিন্ত আজ গর্বের বিষয় এই যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রান্তিক মানুষ থেকে শুরু করে ত্রিপুরাবাসীর সাথে কথা বলছেন।