ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলাকে স্বেচ্ছায় চুল দান করল পাঁচ বছর বয়সী ছোট কন্যা

আগরতলা, ২৩ সেপ্টেম্বর: নারীদের কাছে তাঁর ঘন কেশ রাশি সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ। তবে সেই কেশ রাশি হারিয়ে ফেলতে হয় মারণ রোগ ক্যান্সারের কারণে। ক্যান্সার শরীরে থাবা বসালে অনেক রোগীকেই কেমোথেরাপির জন্য হারিয়ে ফেলতে হয় তাঁর সাধের চুল। তাই ক্যান্সার রোগীদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য এগিয়ে এল পাঁচ বছর বয়সী ছোট কন্যা অনসূয়া ঘোষ। নিজের লম্বা কেশ রাশি কেটে স্বেচ্ছায় দান করলেন ক্যান্সার আক্রান্ত এক মহিলাকে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, নাগপুর ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ৫০ বয়সী সংঘমিত্রা শালিগ্রাম মানে নামে এক মহিলা ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী। কেমোথেরাপি দেওয়ার কারণে তাঁর মাথার চুল ঝড়ে গেছে। তাঁর পুনরায় মাথার চুল প্রতিস্থাপন করার জন্য আহ্বান রাখলেন তিনি। তখন  ব্যাঙ্গালোরের এক প্রকৃতি সামাজিক সংস্থার নজরে আসে বিষয়টি।  তখন ওই সংস্থার আগরতলা বড়দোয়ালী নিবাসী অনিমেষ ঘোষের পাঁচ বছর বয়সী ছোট্ট কন্যা অনসূয়া ঘোষের মাথার চুল অনেকটাই বড় বয়সের তুলনায়।

তাই অনসূয়া ঘোষের পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেয়ের মাথার এই চুল স্বেচ্ছায় দান করবেন। সেই সিদ্ধান্ত থেকেই শিশু বিহার স্কুলে কেজি ২ তে পাঠরত ছাত্রী অনসূয়া ঘোষের পিতা মাতা ক্যান্সার আক্রান্ত মহারাষ্ট্রের নিবাসীনি সংঘমিত্রা শালিগ্রাম মানের মুখে হাসি ফুটানোর  জন্য তার মেয়ের চুল পাঠিয়েছেন। 

এ বিষয়ে ছোট্ট অনসূয়া ঘোষের মাতা সীমা চাকমা জানিয়েছেন, তারা এই কাজটি করতে পেরে খুবই আনন্দিত। ছোট্ট বয়সেই সমাজের জন্য যে কাজটি করেছে তাদের অনসূয়া ঘোষ তাতে খুব খুশি পাশাপাশি পিতা-মাতা সহ গোটা পরিবার অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জনগণকে আবেদন জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *