গুয়াহাটি, ২ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : একের পর এক বিতর্ক, কেলেংকারি ও বিড়ম্বনায় জড়িয়ে পড়ছে আসাম পুলিশ। এবার খাকি পোশাকে কালো দাগ লাগিয়ে গ্ৰেফতার হয়েছেন আসাম পুলিশের আধিকারিক, কনস্টেবল, দেহরক্ষী এবং ড্রাইভার। প্রথমে রাজ্য পুলিশের সদর দফতরে বদলি করা হয়েছিল বজালির পুলিশ সুপার (এসপি) সিদ্ধাৰ্থ বুঢ়াগোহাঁইকে। তার পর গতকাল রাত প্রায় ৮:৩০টায় সিআইডির সদর দফতরে তলব করে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বিভাগীয় আধিকারিকরা। এদিকে বজালিতে এসপি সিদ্ধাৰ্থ বুঢ়াগোহাঁইয়ের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে আজাগওয়ারণ বসুমতারিকে।
সুপারি মাফিয়ার কাছে ৫ কোটি টাকা দাবি করার অভিযোগ শুক্রবার সিআইডির হাতে আটক হয়েছিলেন বজালি জেলার ভবানীপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইনস্পেক্টর দেবজিৎ গিরি, পাটাসারকুচি থানার অ্যাসিসটেন্ট সাব-ইনস্পেক্টর (এএসআই) শশাঙ্ক দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গায়ত্রী সনোয়ালের দেহরক্ষী এবিসি ইনাজামামুল হাসান, গাড়ি চালক দ্বিপজয় রায় এবং বজালির পুলিশ সুপার সিদ্ধাৰ্থ বুঢ়াগোহাঁইয়ের পার্টটাইম গাড়ি চালক হোমগাৰ্ড নাবির আহমেদ। আজ শনিবার রাজ্য পুলিশের ওই পাঁচজনকে গ্ৰেফতার করেছে সিআইডি।
প্রসঙ্গত, সুপারি মাফিয়ার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি মামলায় সিআইডি আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন বজালির পুলিশ সুপার সিদ্ধাৰ্থ বুঢ়াগোহাঁইকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গতকাল ওই পাঁচ পুলিশ কর্মীকে আটক করা হয়। প্রামাণিক তথ্য লাভের পর আজ তাঁদের গ্ৰেফতার করা হয়েছে।
আগের দিন এপিএস অফিসার পুষ্কল গগৈ, পাটাচারকুচির ওসি অনুপজ্যোতি পাটির সহ মোট সাতজন আসাম পুলিশের আধিকারিক ও কর্মীকে এই মামলায় আটক করা হয়েছিল।