নয়াদিল্লি, ৩১ আগস্ট (হি.স.): উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে অ্যামাজনের ম্যানেজার খুনের ঘটনায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দিল্লির ভজনপুরার সুভাষ বিহার এলাকায় হরপ্রীত গিল (৩৬)-কে খুনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রাফিক বিরোধ নিয়েই বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল। আর তাই খুন হতে হয়েছে হরপ্রীতকে। ধৃতের নাম-১৮ বছর বয়সী বিলাল গনি। বাকি অভিযুক্তরা হল-১৮ বছর বয়সী মোহাম্মদ সমীর ওরফে মায়া, ২৩ বছর বয়সী সোহেল ওরফে বাওয়ারচি, ২৩ বছরের মোহাম্মদ জুনায়েদ ওরফে বিরিয়ানি এবং ১৯ বছর বয়সী আদনান ওরফে ডন।
পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ভোররাত দু’টো নাগাদ দিল্লির সিগনেচার ব্রিজের কাছে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তের নাম বিলাল গনি (১৮)। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত ১১.৩০ মিনিট নাগাদ দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন হরপ্রীত গিল। দুষ্কৃতীদের গুলিতে আহত তাঁর আত্মীয় গোবিন্দ সিংও। এই খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে সবেমাত্র এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনার তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্তরা সকলে মঙ্গলবার রাতে বিলালের বাড়িতে পার্টি করছিল। পরে রাত সাড়ে দশটা নাগাদ তারা রাস্তায় বের হয়, মোহাম্মদ সমীর ও মায়ার কাছে পিস্তল ছিল। পাঁচজন অভিযুক্ত দু’টি ভিন্ন স্কুটারে চড়ে ভজনপুরা এলাকার সরু বাইলেনের মধ্যে স্কুটার চালাচ্ছিল। তারা কয়েক জায়গায় থামে এবং সবশেষে ৮/৪ নং গলি, সুভাষ বিহার, ভজনপুরার ভিতরে চলে যায়, যা বেশ সরু। ঘটনাক্রমে, হরপ্রীত গিল এবং তাঁর আত্মীয় অন্য দিক থেকে আসছিলেন, যা পথ আটকে দেয়। এরপর অ্যামাজন ম্যানেজার এবং তাঁর কাকার সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে অভিযুক্তরা। কিছুক্ষণ পরে মোহাম্মদ সমীর খুব কাছ থেকে হরপ্রীত গিল এবং তার আত্মীয়কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হরপ্রীতকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।