কলকাতা, ১৭ আগস্ট (হি. স.) : ‘যাদবপুরের ৩-৪টি ছাত্র সংগঠন ‘নো ভোট টু বিজেপি’ প্রচার করেছিল। এরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বি-টিম’। বৃহস্পতিবার যাদবপুর চত্বরে এসে ফের সুর চড়ালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এ দিন তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর থেকে যে দল ৩৭০ ধারা তুলে দিয়েছে, সেই দল এই দেশবিরোধী দলগুলিকে তুলে ফেলে দেবে। পুলিশে কোনও আস্থা নেই, অত্যাচারীদের কঠোর সাজা চাই’।
ফুটছে রাজ্য-রাজনীতি: কলকাতা থেকে জেলা, যাদবপুরের আঁচে কার্যত ফুটছে রাজ্য-রাজনীতি। এবার কোনও কলরব নয়! ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় কার্যত তোলপাড় শুরু হয়েছে! কার দোষ, কার দায়, তা নিয়ে অব্যাহত চাপানউতোর!
যাদবপুরে শুভেন্দু: এ দিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পৌঁছন শুভেন্দু । সুর চড়িয়ে ছাত্র মৃত্যুর দায় কার্যত শাসকদলের ওপরেই চাপান বিরোধী দলনেতা। এদিন তাঁর প্রশ্ন, ‘কেন সিসিটিভি লাগানো হয়নি, কেন অভিজিৎ চক্রবর্তীকে তাড়ানো হয়েছিল?
শুভেন্দুবাবু বলেন, এটা যেন বাংলায় শেষ ঘটনা হয়, মঙ্গলবার এর উত্তর শিক্ষামন্ত্রীকে দিতে হবে। বিধানসভায় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে হিসেব বুঝে নেব। এর শেষে দেখে ছাড়ব, এদের উপড়ে ফেলব, আগামীর লড়াই চলছে, চলবে’। এই মামলা রাজ্যের কোনও সংস্থা নয়, কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা তদন্ত করুক।
পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘কালিয়াগঞ্জ, রামপুরহাটে রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনকে পাওয়া যায় না। কমিশন মৃত পড়ুয়ার নাম প্রকাশ্যে না বলতে বলেছেন। অথচ শিক্ষামন্ত্রী যাদবপুরের মৃত পড়ুয়ার নাম বলেছেন। ব্রাত্য বসুকে নোটিস দেবে তো রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন?’
সভা থেকে বাম-অতিবামকেও এদিন নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী, প্রতিবাদে কালো পতাকা দেখানো হয়। মৃত ছাত্রের বাবার আবেদনই সার, বৃহস্পতিবারও তিনি প্রচারমাধ্যমে প্রতিবাদীদের হিংসার আশ্রয় নিতে সবিনয়ে না বলেন। কিন্তু যাদবপুর আছে যাদবপুরেই!
পড়ুয়ার মৃত্যুকে ঘিরে কার্যত ক্যাম্পাস দখলের লড়াই শুরু হয়েছে বলেও অভিযোগ অনেকের! বুধবারও দুই দলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার ফের রাজনৈতির চাপানউতরের আঁচ দেখা গেল বিশ্ববিদ্যালয়ে।