বদরপুর (অসম), ১৯ জুলাই (হি.স.) : গত দুদিন আগে, ১৭ জুলাই ড্রাগস ডিসপোজাল প্রোগ্রাম-এর অধীন ২২৫ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য পুড়িয়ে-গুঁড়িয়ে ধ্বংস করেছে করিমগঞ্জ জেলা পুলিশ। এমতাবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে মাদক-বিরোধী অভিযানে নেমে আরও একবার বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে টিম পার্থপ্রতিম। বলতে গেলে ফিল্মি কায়দায় অভিযান চালিয়ে বৃহৎ পরিমাণের নেশার ইয়াবা ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে তিন মাদক পাচারকারীকে।
জানা গেছে, এনএল ০১ এএ ৮৭১৮ নম্বরের লরিতে করে মিজোরাম থেকে বৃহৎ পরিমাণের ইয়াবার চালান করিমগঞ্জে আসছে, গোপন সূত্রে এই খবর করিমগঞ্জের পুলিশ সুপার পার্থপ্রতিম দাসের কাছে আসলে সঙ্গে সঙ্গে অভিযানে নামে তাঁর টিম। জাতীয় সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে পুলিশের নাকা পয়েন্ট গড়ে তোলা হয়। এর পর বদরপুর উমরপুর পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় অশোক লিল্যান্ড কোম্পানির লরিতে তালাশি চালিয়ে গোপন চেম্বার থেকে উদ্ধার হয় ১০.৫ কেজি ওজনের ১ লক্ষ ইয়াবা ট্যাবলেট। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে মিজোরাম থেকে আগত নাগাল্যান্ডের রেজিস্ট্রেশনকৃত লরিটি। লরি থেকে উদ্ধারকৃত নেশাজাতীয় ট্যাবলেটগুলির বাজারমূল্য ৮ কোটি টাকা হবে বলে জানা গেছে পুলিশ সূত্রে।
বুধবার করিমগঞ্জের পুলিশ সুপার পার্থপ্রতিম দাস (এসপি) জানান, মাদক পাচারের অভিযোগে বদরপুর থানাধীন হাসানপুর গ্রামের জনৈক হাসান আলি, খলারপাড় গ্রামের হাসরুল ইসলাম এবং কালাইনের বাসিন্দা রমজুল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এর পর ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, সরকার নেশার বিরুদ্ধে অভিযানে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। করিমগঞ্জ জেলায় মাদক নির্মূল করতে পুলিশের একের পর এক অভিযান চলছে। আর আগামীতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন পুলিশ সুপার পার্থপ্রতিম দাস।