ওয়াশিংটন, ১০ জুলাই (হি.স.) : ইউক্রেনে শান্তি ফেরাতে ভারত যদি উদ্যোগী হয়, তাহলে সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে আমেরিকা । সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানিয়েছেন, ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে আসলে কৌশলগত ভুল করে ফেলেছে রাশিয়া । এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, “ভারত বা অন্য যেকোনও দেশের সাহায্যকেই স্বাগত জানাবে আমেরিকা। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতাকে সম্মান জানিয়েই শান্তি ফেরাতে হবে। এই কাজে সকলের অবদানই গ্রহণযোগ্য।”
প্রসঙ্গত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই শান্তিপূর্ণ আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানোর প্রস্তাব দিয়ে এসেছে ভারত। যুদ্ধের মধ্যেই রাশিয়া ও ইউক্রেন দুই দেশের প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত বছর সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের সম্মেলন চলাকালীন ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানেও রুশ প্রেসিডেন্টকে সাফ বার্তা দিয়ে মোদী বলেন, যুদ্ধ করার জন্য এই সময়টা একেবারেই আদর্শ নয়। তারপরেও নানা ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়ে যুদ্ধ বন্ধের ডাক দিয়েছে ভারত।
এহেন পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্রকে প্রশ্ন করা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে নরেন্দ্র মোদী বা ভারতের কি কোনও ভূমিকা থাকতে পারে? উত্তরে মিলার বলেন, “ভারত বা অন্য যেকোনও দেশের সাহায্যকেই স্বাগত জানাবে আমেরিকা। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতাকে সম্মান জানিয়েই শান্তি ফেরাতে হবে। এই কাজে সকলের অবদানই গ্রহণযোগ্য।”আমেরিকার তরফে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নানা দেশ যেভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
তবে এই প্রথম নয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে আগেও ভারতের সাহায্য চেয়েছে আমেরিকা। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কির্বির কাছে জানতে চাওয়া হয়, পুতিনকে যুদ্ধ থামাতে অনুরোধ করেছেন মোদী। কিন্তু সেই অনুরোধ করতে কি অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে? তবে হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি বলেন, “আমি মনে করি এখনও সময় আছে পুতিনকে যুদ্ধ থেকে বিরত করার। প্রধানমন্ত্রী মোদী ওঁকে বোঝাতেই পারেন। মোদী কথা বলতে বা অন্য যে কোনও ধরনের প্রয়াস করতে চাইলে আমরা তা করতে দেব।