সি-ডিভিশন : অ্যালেক্সের ডাবল হ্যাটট্রিক স্যাগকে নিয়ে ছেলেখেলা করলো আনন্দভবন

আনন্দ ভবন-‌৯                                                                                 স্যাগ-‌০

(‌অ্যালেক্স-‌ হ্যাটট্রিক সহ ৬, স্টিফেন,আরোবা,স্যামুয়েল)

ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ৫ জুলাই।।নিয়মরক্ষার ম্যাচে জ্বলে উঠলেন আনন্দভবনের ফুটবলাররা। বিধ্বস্ত করলো প্রতিনিয়ত অনুশীলনে থাকা সাই স্যাগকে। বড় ব্যবধানে জয় পেয়েও দ্বিতীয় স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হলো সুজিত ঘোষের আনন্দভবনকে। ৫ ম্যাচ খেলে ১০ পয়েন্ট পেয়ে ‘‌এ’ গ্রুপে দ্বিতীয় স্থান পেলো আনন্দভবন। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে ১১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি আগামীবছর দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো এন এস আর সি সি। রাজ্য ফুটবল‌ সংস্থা আয়োজিত তৃতীয় ডিভিশন লিগ ফুটবলে। উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বুধবার সকালে সাই স্যাগকে কার্যত চিড়ে খেলো আনন্দভবনের ফুটবলাররা। একা অ্যালেক্স নাভিশ্বাস তুলে দিলেন স্যাগের রক্ষণভাগের ফুটবলারদের। অ্যালেক্স একাই করলেন ৬ গোল। অ্যালেক্সের দৌলতেই ৯-‌০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেলো আনন্দভবন। অপরদিকে ৫ ম্যাচ খেলে মাত্র ২ টি ম্যাচে পয়েন্ট ভাগ করে ২ পয়েন্ট নিয়ে আসর শেষ করলো স্যাগ। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে স্যাগের ফুটবলারদের মান নিয়েও। সারা বছর অনুশীলন করার পরও এত জঘন্য ফলাফল কেনও তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি স্যাগের কোচ সঞ্জয় কুমার চৌধুরি। ম্যাচের শুরু থেকেই পর্যাপ্ত প্রাধান্য নিয়ে খেলতে থাকে আনন্দভবনের ফুটবলাররা। বল দখলের লড়াইয়েও এগিয়ে ছিলো। সারা মাঠ কার্যত দাপিয়ে খেলেন আনন্দভবনের ফুটবলাররা। দলকে আক্রমণে নেতৃত্ব দেন অ্যালেক্স ডার্লং। ম্যাচের শুরুতেই অ্যালেক্স ডার্লংয়ের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর থেকেই আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় দলীয় ফুটবলারদের। শুরু হয় ক্রমাগত আক্রমণ। আর তাতেই চিড় ধরে স্যাগের রক্ষণভাগে। শেষ পর্যন্ত তা আর ঠিক হয়নি। এর সুযোগেই একেরপর এক জাল নাড়াতে থাকেন আনন্দভবনের ফুটবলাররা। তবে দের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা আরও তেজী হলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো। ম্যাচের ৩, ১১,২২,৫৩, ৬৭ এবং ৬৯ মিনিটে পর পর ৬ টি গোল করেন অ্যালেক্স ডার্লং। মূলত অ্যালেক্সের গতির কাছেই হার মানতে হলো স্যাগকে।  এছাড়া দলের পক্ষে ১৩ মিনিটে স্টিফেন লালরেম ফেলা, ৪৭ মিনিটে এম স্যামুয়েল হালাম এবং ৫২ মিনিটে আরোবা মলশুম গোল করেন। ম্যাচটি পরিচালনা করেন শিবজ্যোতি চক্রবর্তী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *