আগরতলা, ৪ জুলাই (হি.স.) : মানুষের শারীরিক বিকাশে দুধ এক অমূল্য উপাদান। ত্রিপুরায় দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে। আজ গোমতী ডেয়ারি প্রাঙ্গণে ৫ হাজার লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন ইন্সুলেটেড রোড মিল্ক ট্যাংকারের সূচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন ত্রিপুরার প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী সুধাংশু দাস।
এদিন তিনি বলেন, এই ট্যাংকারের মাধ্যমে বাল্ক মিল্ক কুলার সেন্টারগুলি (বিএমসি) থেকে দুধ ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বহন করে নিয়ে আসা সম্ভব হবে। এর ফলে দুধের গুণগতমান যেমন বজায় থাকবে তেমনি দুধ নষ্টও হবেনা।
এদিন শ্রী দাস বলেন, ত্রিপুরায় বর্তমানে ৮৫ হাজার মেট্রিক টন দুধের ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে এগিয়ে আসতে হবে বেকার যুবকদের। যেসমস্ত বেকার যুবককরা কাজের সন্ধানে ঘুরছে তারা গো পালনের জন্য ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারেন। ব্যাংক লোনের মাধ্যমে গো পালন করলে ঋণের টাকার সমস্ত সুদ মিটিয়ে দেবে ত্রিপুরা সরকার, বলে জানান তিনি।
সাথে তিনি যোগ করেন, মানুষের শারীরিক বিকাশে দুধ এক অমূল্য উপাদান। ত্রিপুরা সরকার উন্নতমানের গোখাদ্য রাজ্যেই উৎপাদনের লক্ষ্যে উদ্যোগ নিয়েছে।