নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ জুন ৷৷ আগরতলা পুর নিগম এলাকায় পানীয় জলের সংকট নিরসনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আগরতলা পুর নিগম কর্তৃপক্ষ৷ আগরতলা পুর নিগম এলাকার সর্বত্র পরিশ্রুত পানীয় জল এখনো পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি৷ প্রতিটি পরিবারে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া পুরনিগমের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য৷ পানীয় জল সরবরাহের লক্ষে আগরতলা পুর নিগম এলাকায় ২৬ টি আইআরপি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে৷ ভারত সরকারের অটল জলধারার অমৃত টু প্রকল্পের আন্ডারে বিশুদ্ধ পানীয় জলের উৎসের সৃষ্টি করা হবে৷ শহরাঞ্চলের পানীয় জলের সমস্যা নিরসনের জন্য ১৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিটারবন এলাকায় এরকম একই প্রজেক্টের আনুষ্ঠানিক শিলান্যাস করেন মেয়র দীপক মজুমদার৷ উপস্থিত ছিলেন কপর্োরেটর প্রদীপ চন্দ্র ও কপর্োরেটর হীরালাল দেবনাথ৷ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৩০০ পরিবার উপকৃত হবেন বলে মেয়র জানিয়েছেন৷ আগামী ৭-৮ মাসের মধ্যেই সব কটি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে৷ মেয়র জানান পানীয় জলের উৎস তৈরির জন্য যে জায়গার প্রয়োজন তা নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় সঠিক সময়ে তা করা সম্ভব হয়নি৷ তবে খুব দ্রুত এ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন৷

পুর নিগমের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে সব বাড়িতে আট মাসের মধ্যে পৌঁছে যাবে পানীয় জল
Tags:
Releated Posts
জলপথ ও স্থলপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে জোর, গোমতী নদীকে ঘিরে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন সর্বানন্দ সোনোয়াল
আগরতলা, ১৪ জুন: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার একাধিক উদ্যোগ…
মোদি সরকারের নেতৃত্বে উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়নের নতুন দিশা পেয়েছে: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল
আগরতলা, ১৪ জুন: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গত ১২ বছরে উত্তর-পূর্বাঞ্চল দেশের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে…
‘এক পেড় মা কি নাম’ কর্মসূচিতে আগরতলায় বৃক্ষরোপণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল
আগরতলা, ১৪ জুন: পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘এক পেড়…
স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে ৮০ শতাংশ রেফার কমেছে: মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা, ১৪ জুন: রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার উল্লেখযোগ্য উন্নতির ফলে বর্তমানে রোগী রেফারের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে এসেছে…


















