কাছাড়ের ধলাইয়ে একাধিক গাড়ি সমেত বার্মিজ সুপারি বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার সাত

শিলচর (অসম), ৩ মে (হি.স) : নিত্যনতুন কৌশলে বার্মিজ সুপারি পাচার শুরু হয়েছে দক্ষিণ অসমের বরাক উপত্যকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় কাছাড় জেলার ধলাই থানার পুলিশ বেশ কয়েকটি গাড়ি সহ বিপুল পরিমাণের বার্মিজ সুপারি বাজেয়াপ্ত করেছে। সঙ্গে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এবারে পাচারের জন্য একদম নয়া ফর্মুলা প্রয়োগ করেছে পাচারকারীরা। গাড়ির ইঞ্জিনের বনেটে রয়েছে বেশ কিছু খালি স্থান। আর এই সুযোগ কাজে লাগায় পাচারকারীরা। ছোট চার চাকার গাড়ির বনেটের খালি স্থানে তিন থেকে চারটে বার্মিজ সুপারি বোঝাই বস্তা রেখে পাচার করার পথে ছিল পাচারকারীরা।

মঙ্গলবার এভাবে রাখা তিনটি ছোট গাড়ি থেকে বার্মিজ সুপারি উদ্ধার করে ধলাই পুলিশ। একটি অল্টো, দুটি সেন্ট্রো, একটি ক্রুইজার ও একটি স্কুটি থেকে বিপুল পরিমাণের বার্মিজ সুপারি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি পাচারের সাথে সাত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এএস ১১ টি ৫৯৯২ নম্বরের অল্টো গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭০ কেজি বার্মিজ সুপারি। গ্রেফতার করা হয় সোনাই বেরাবাক দ্বিতীয় খণ্ডের বাসিন্দা জনৈক সাইদুল হোসেন লস্কর (৩৬)-কে।

এএস ১১ বিসি ৯৬১৬ নম্বরের যাত্রীবাহী ক্রুইজার গাড়ি থেকে পুলিশের তল্লাশিতে উদ্ধার হয় ৬৫০ কেজি বার্মিজ সুপারি। গ্রেফতার করা হয় গাড়ি চালক ধলাই ইসলামাবাদের বাসিন্দা জনৈক দিল মোহম্মদ বড়ভুইয়াঁ (২৮)-কে।

এএস ১১ সি ৪০২৫ নম্বরের সেন্ট্রো গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১০০ কেজি এবং এএস ১১ বি ৫৮১০ নম্বরের সেন্ট্রো গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৪৫ কেজি বার্মিজ সুপারি। এর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে দক্ষিণ ধলাইয়ের নারাইণপুরের বাসিন্দা জনৈক মৃণাল হোসেন (২১), কাইনুল হক চৌধুরী ও ভাগা বনগ্রামের বাসিন্দা আফজল হোসেন লস্কর (২০)-কে। এছাড়া এএস ১১ ওয়াই ৭৫১৭ নম্বরের স্কুটি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩০ কেজি বার্মিজ সুপারি। গ্রেফতার করা হয় দক্ষিণ ধলাইয়ের লোকনাথপুরের বাসিন্দা জনৈক রাজু হোসেন বড়ভুইয়াঁ (৩০)-কে।

বুধবার ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ বলে জানা গেছে।