বাংলাদেশের মোংলা এবং চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে ভারত, খুশি ত্রিপুরার বণিক মহল

আগরতলা, ২৭ এপ্রিল (হি. স.) : বাংলাদেশের মোংলা এবং চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে ভারত। এ-বিষয়ে ট্রানজিট আদেশ জারি করেছে সে-দেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। তাতে, ত্রিপুরার বণিক মহল ভীষণ খুশি। কারণ, জলপথে পণ্য আমদানিতে খরচ অনেক কম হবে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকারের ওই অনুমতির ফলে এখন চট্টগ্রাম-আখাউড়া-আগরতলা, মোংলা-আখাউড়া-আগরতলা, তামাবিল-ডাউকি, শেওলা-সুতারকান্দি এবং বিবিরবাজার-শ্রীমন্তপুর রুটে ১৬টি ট্রানজিট রুট খোলা হয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোয় কম খরচে পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পেতে ২০১৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের সঙ্গে এসিএমপি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত। এই ট্রান্সশিপমেন্ট ব্যবস্থায় কম খরচে ভারী কার্গো পরিবহনের সুবিধা পাওয়া যাবে। ওই চুক্তির ভিত্তিতে ২০২০ সালের জুলাইয়ে চার কন্টেইনার বোঝাই রড এবং ডাল নিয়ে কলকাতার হলদিয়া বন্দর থেকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে প্রথম ট্রায়াল রান হয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশ প্রোটোকল রুটের মাধ্যমে চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দরকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সাথে সংযুক্ত করার চতুর্থ ও সর্বশেষ ট্রায়াল রানটি হয়েছিল ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর।
বাংলাদেশের দুইটি বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ায় ত্রিপুরার বণিক মহল ভীষণ খুশি হয়েছে। ত্রিপুরা মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি তুষার চক্রবর্তী ওই দুই বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় ভারত সরকার এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ওই দুই বন্দর ব্যবহার করে দেশের যেকোন বন্দর থেকে পণ্য সহজেই ত্রিপুরায় আনা যাবে। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যেও পাঠানো সম্ভব হবে।
তাঁর মতে, জলপথে কন্টেইনারের ভিতরে পণ্য রেখে আমদানি করা হবে। তাতে, ক্ষতির সম্ভাবনা কমবে। তাঁর দাবি, জলপথে পণ্য আমদানিতে পরিবহণ খরচ কম লাগবে। তাতে, ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েই লাভবান হবেন।