স্ফুলিঙ্গ:- ১৩০/৭(২০)
ইউ: ফ্রেন্ডস:- ১৩৩/৪(১৯.১)
ক্রীড়া প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ এপ্রিল।।রক্ষাকর্তা সেই দীপক ক্ষত্রী। ত্রিপুরা রঞ্জি দলের ওই পেশাদার ক্রিকেটারটি প্রায় প্রতিম্যাচেই অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার এর পিছপা হয়নি। দীপক ক্ষৈত্রীর হাত ধরেই মরশুমের প্রথম ট্রফি ঘরে তুললো ইউনাটেড ফ্রেন্ডস। এদিন সমীরণ চক্রবর্তী স্মৃতি টি-২০ ক্রিকেটের ফাইনালে ইউনাটেড ফ্রেন্ডস ৬ উইকেটে পরাজিত করে স্ফুলিঙ্গ ক্লাবকে। এম বি বি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্ফুলিঙ্গের গড়া ১৩০ রানের জবাবে ইউনাটেড ফ্রেন্ডস অন্তিম ওভারে ৫ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। বিজয়ী দলের দীপক ক্ষৈত্রী প্রথমে বল হাতে ২ উইকেট তুলে নেওযার পর ব্যাট হাতে ৬৫ রান করেন। ১০ বছর আগে মরশুমে ত্রি-মুকুট জয় করেছিলো স্ফুলিঙ্গ। এবার ত্রি-মুকুট জয় করতে হলে জে সি লীগ আসরের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে দীপক ভাটনাগরের দলকে। ইউনাটেড ফ্রেন্ডস-এর বোলারদের আটোসাটো বোলিংযের সামনে বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় স্ফুলিঙ্গ ক্লাব। সকালে প্রথমে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে স্ফুলিঙ্গ ক্লাব নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান করতে সক্ষম হয়। দলের প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ স্ফুলিঙ্গ। তবে শেষ দিকে অভিজিৎ সরকার এবং চিরঞ্জীৎ পাল যদি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে না তুলতেন তাহলে দলীয় স্কোর ১০০ রানের গন্ডি পার হতো কীনা তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিতো। দলের হয়ে গোড়াপত্তন করতে নেমে বিক্রম কুমার দাস এবং জয়দীপ বনিক ওপেনিং জুটিতে ৩৪ বল খেলে ৪১ রান যোগ করেন। এরপরই স্ফুলিঙ্গ শিবিরে ধস দেখা দেয়। দলের পক্ষে চিরঞ্জীৎ পাল ১৪ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ২৬ (অপ:), অভিজিৎ সরকার ২০ বল খেলে ৩ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ২৪, জয়দীপ বনিক ২০ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ২২ এবং বিক্রম কুমার দাস ১৭ বল খেলে ১ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৭ এবং শ্যাম শাকিল গণ ২২ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৬ রান করেন। ইউনাটেড ফ্রেন্ডসের পক্ষে দলনায়ক রজত দে (৩/১৮) এবং দীপক ক্ষৈত্রী (২/২৮) সফল বোলার। জবাবে খেলতে নেমে ইউনাটেড ফ্রেন্ডস ৫ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেট হারিয়ে জযের জন্য প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে নেয়। দলের পক্ষে দীপক ক্ষৈত্রী ৪৬ বল খেলে ৭ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৫, সেন্টু সরকার ২৮ বল খেলে ১ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯, উদীয়ান বসু ১৩ বল খেলে ১ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৪, শুভম ঘোষ ৮ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১১(অপ:) রান করেন। স্ফুলিঙ্গের পক্ষে অভিজিৎ সরকার (৩/২০) সফল বোলার। বলে-ব্যাটে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের সৌজন্যে দীপকই পেয়েছে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের খেতাব।

