আগরতলা, ১৪ এপ্রিল (হি. স.) : নববর্ষে বাঙালির পাতে ইলিশ পড়ুক, সেই লক্ষ্যে বিরাট আয়োজন করেছে ত্রিপুরা সরকার। বাংলা নববর্ষে ১৫টি বিপনী কেন্দ্রে ভর্তুকি মূল্যে ত্রিপুরার মৎস্য দফতর ইলিশ বিক্রির ব্যবস্থা করেছে। মৎস্য মন্ত্রী সুধাংশু দাস জানিয়েছেন, বাংলা নতুন বছরে আম জনতার কাছে ইলিশ সহজলভ্য হোক, সেই উদ্দেশ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে। কারণ, বাঙালির কাছে ইলিশের চেয়ে জনপ্রিয় অন্য কোন মাছ নয়।
তাঁর কথায়, প্রত্যেক বছর বাংলা নববর্ষ এবং বিজয়া দশমীতে ইলিশের বাজার মূল্য সাধারণের হাতে প্রচন্ড ছ্যাকা দেয়। ফলে, ইলিশের উচ্চ মূল্য অনেককেই এই মাছের স্বাদ পেতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই, সরকার চিন্তা করেছে নতুন বছরের আনন্দঘন মুহুর্তে ইলিশ আম জনতার সাধ্যের মধ্যে আনা হোক। তিনি বলেন, ত্রিপুরা এপেক্স ফিসারিজ কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের অধীনে মহারাজগঞ্জ বাজারে বিপনী কেন্দ্র খোলা হবে। সেখানে ভর্তুকি মূল্যে সকলেই ইলিশ কিনতে পারবেন। সাথে তিনি যোগ করেন, ত্রিপুরার অন্যান্য স্থানে ইলিশ পাওয়া যায় আরও এমন ১৫টি বিপনী কেন্দ্র খোলা হবে। সেখানেও ভর্তুকি মূল্যে ইলিশ মিলবে।
সাধারণত, ত্রিপুরায় পদ্মার ইলিশ কেজি প্রতি ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ওই বিপনী কেন্দ্রে ইলিশ প্রতি কেজি ১০৭০ টাকা দরে সাধারণ মানুষ কিনতে পারবে। তাছাড়া, কম ওজনের আরও দুই ধরণের ইলিশ প্রতি কেজি ৮৭০ টাকা এবং ৭৭০ টাকা দরে মিলবে। ত্রিপুরা সরকার ওই সব বিপনী কেন্দ্রে ইলিশে প্রতি কেজিতে ৫০০ টাকা ভর্তুকি দেবে। স্বাভাবিকভাবেই, ত্রিপুরা সরকারের এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ ভীষণ খুশি হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
2023-04-14

