মুম্বই, ৯ এপ্রিল(হি.স.) : ২০০৮ সাল থেকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে নানা ভাবেই পরিবর্তন হয়েছে টাইটেল স্পনসর। বর্তমানে আইপিএলের টাইটেল স্পনসর টাটা। এজন্য কত টাকা দিয়েছে টাটা? প্রথম আইপিএলে টাইটেল স্পনসর কারা ছিল? মাঝেও অনেকেই টাইটেল স্পনসর হিসেবে এসেছে। স্পনসরশিপ থেকে ব্র্যান্ড ভ্যালু, কী ধরনের বদল হয়েছে আইপিএলে?
উদ্বোধনী আইপিএলের টাইটেল স্পনসর ছিল ডিএলএফ। স্পনসরশিপ ফি হিসেবে বার্ষিক ৪০ কোটি টাকা দিত তারা। ২০১২ সাল পর্যন্ত ডিলএফ-ই টাইটেল স্পনসর ছিল। টুর্নামেন্ট জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় ব্র্যান্ড ভ্যালুও বাড়তে থাকে। ২০১৩ সালে টাইটেল স্পনসর হয় নরম পানীয় প্রস্তুতকারী সংস্থা পেপসি। স্পনসরশিপ ফি হিসেবে তারা দিত বছরে ৭৯.৪ কোটি টাকা।
২০১৬ সালে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে টাইটেল স্পনসরশিপ ফি তিন অঙ্কের ঘরে (কোটি টাকায়) পৌঁছেছিল। চিনের মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা ২০১৬-১৭ সালে ১০০ কোটি টাকা বার্ষিক অঙ্কে টাইটেল স্পনসর হয়েছিল ভিভো। ২০১৮-১৯ মরসুমে টাইটেল স্পনসরের দিক থেকে ব্যাপক রদবদল হয়েছিল। জনপ্রিয় এই টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পনসরশিপ ধরে রাখতে বিশাল অঙ্ক খরচ করেছিল মোবাইল প্রস্তুতকারী এই সংস্থাই। বার্ষিক ৪৩৯.৮ কোটি টাকা দিত তারা।
২০২০ আইপিএলে চিনের সংস্থাকে স্পনসর রাখা নিয়ে সমস্যায় পড়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। চিনের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার জেরে স্পনসরশিপ থেকে ভিভোকে সরাতে বাধ্য হয় বোর্ড। টুর্নামেন্ট শুরুর অল্প সময় আগে এই সমস্যা হওয়ায় দ্রুত নতুন স্পনসর জোগাড় করা চাপ হয়ে রায়।
২০২০ আইপিএলে তড়িঘড়ি ড্রিম ইলেভেন নামক একটি ফ্যান্টাসি গেমিং সংস্থাকে শেষ মুহূর্তে আইপিএলের টাইটেল স্পনসরশিপ দেওয়া হয়। তার আগের বারের ৪৩৯.৮ কোটির থেকে স্পনসরশিপের অঙ্কটা নেমে আসে মাত্র ২২২ কোটি টাকায়।
এক বছর পর ফের ভিভো ফেরে টাইটেল স্পনসর হয়ে। তাদের সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি থাকলেও মাঝে এক বছর সমস্যা হয়েছিল। তবে ২০২১ সালে ফের টাইটেল স্পনসর ভিভো। টাকার অঙ্ক বার্ষিক ৪৩৯.৮ কোটি। ২০২২-এ ভিভোর সঙ্গে চুক্তি শেষ হয় বোর্ডের। টাইটেল স্পনসরের দৌড়ে বেশ কিছু সংস্থা থাকলেও ভারতীয় সংস্থাই টাইটেইল স্পনসর হয়। ৪৩৯.৮ কোটিতেই টাইটেল স্পনসর হয় টাটা।

