প্রোটেম স্পিকার বিনয় ভূষণ দাস, মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত, শপথ ১৫ই, বাকি বিধায়কদের শপথ ১৬ মার্চ

আগরতলা, ৯ মার্চ (হি. স.) : ত্রিপুরায় পানিসাগর কেন্দ্রে জয়ী বিজেপির বিনয় ভূষণ দাসকে প্রোটেম স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। আজ মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আগামী ১৫ মার্চ রাজ্যপাল সত্যদেও নারায়ণ আর্য তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। ১৬ মার্চ প্রোটেম স্পিকার সমস্ত বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। 

প্রসঙ্গত, ৮ মার্চ বুধবার ত্রিপুরায় বিজেপি ২.০ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী সহ নয় জন ওইদিন শপথ নিয়েছেন। বর্তমানে ত্রিপুরা মন্ত্রিসভায় নয়জন সদস্য রয়েছেন। তাতে, বিজেপির ৮ জন এবং আইপিএফটির একজন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। আজ সকালে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে প্রুটেম স্পিকার এবং ভোট-অন-একাউন্ট নিয়ে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। 

মন্ত্রিসভা পানিসাগর কেন্দ্রের জয়ী বিনয় ভূষণ দাসকে প্রোটেম স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি আগামী ১৫ মার্চ শপথ নেবেন। রাজ্যপাল সত্যদেও নারায়ণ আর্য তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। ১৬ মার্চপ্রোটেম স্পিকার ত্রিপুরা বিধানসভার বাকি সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। 

এরপরই অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ নির্বাচন সহ মুখ্য সচেতক, বিরোধী দলনেতা বাছাই করা হবে। এবার তিপরা মথা বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদার দাবি জানাবে। কারণ, বিজেপির ছাড়া একক পার্টি হিসেবে তিপরা মথা সবচেয়ে বেশি ১৩টি আসনে জয়ী হয়েছে। তবে, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস জোট বেঁধে বিরোধীদলের মর্যাদার দাবি জানানোরও সম্ভাবনা রয়েছে। দুই দল সম্মিলিতভাবে ১৪টি আসনে জয়ী হয়েছে। 

বিজেপি সুত্রে খবর, আপাতত অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। পূর্বতম সরকারের আমলে দায়িত্বপ্রাপ্ত রতন চক্রবর্তী অধ্যক্ষ এবং বিশ্ববন্ধু সেন উপাধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্বহাল থাকবেন। অবশ্য, তাঁরা ওই পদে দায়িত্ব পালনে আপত্তি জানালে সেক্ষেত্রে নতুন চিন্তাভাবনা হবে। তবে, এখনো তেমন কোন সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।