আগরতলা, ৩১ ডিসেম্বর (হি.স.) : নতুন বছরে নতুন আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন আশাকর্মী ও ফেসিলিটেটররা। খুব শীঘ্রই তাঁদের জন্য সুখবর আসতে চলেছে। বিবেকানন্দ বিচার মঞ্চ আয়োজিত অল ত্রিপুরা আশা ফেসিলিটেটর অ্যীসোসিয়েশন ত্রিপুরা আশাকর্মী সংঘের সাংগঠনিক সভায় এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সাংসদ বিপ্লবকুমার দেব।
আগরতলা টাউন হল-এ আয়োজিত এদিনের অনুষ্ঠানে স্থান সংকুলান না হওয়ায় অবশেষে আশাকর্মীদের মঞ্চের উপর ডেকে বসান বিপ্লব দেব। তার পরও যেন একপ্রকার রেকর্ড তৈরি করে হল-এর বাইরে ছিল প্রায় সম পরিমান ভিড়। মুখ্যমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করার পরও বিপ্লবকুমার দেবের জনপ্রিয়তা যে দিন দিন আরও ঊর্ধ্বমুখী তা আজকের অনুষ্ঠান আবারও প্রমাণিত।
আজ তাঁদের প্রশংসায় বিপ্লব দেব অকপটে বলেন, এই দিদিরাই ভাবী প্রজন্মের ভবিষ্যত নির্মাতা। তাঁদের প্রত্যাশা এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনাধীনl
সাংসদ দেব বলেন, মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মহিলা অপরাধ থেকে শুরু করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কোনও ভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক রং বিচার না করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করার পর সেই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধাপ্রাপ্ত চক্রের একাংশ উজ্জীবিত হয়ে বিপ্লব দেবের আগামী ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। এখন তাঁদের ভবিষ্যতই অন্ধকারে নিমজ্জিত, বিদ্রুপের সুরে বলেন তিনি।
বিপ্লবের দাবি, আসন্ন ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ তাঁদের গণতান্ত্রিক পথে মোক্ষম জবাব দেবেন। এক্ষেত্রে আজ বিপ্লবকুমার দেব তাঁর বক্তব্যে কাদের নিশানায় নিয়েছেন, তা অনেকটাই স্পষ্ট।
তিনি বলেন, মহিলাদের উন্নতি ছাড়া ত্রিপুরার সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রেই মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং সশক্তিকরণে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করেছে, ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ তার অন্যতম নিদর্শন।
তাঁর মতে, মহিলারা উদারচেতা এবং সেবামূলক ভাবনায় সর্বদা নিয়োজিত থাকেন। অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশাকর্মী বোনেরাও সেবামূলক ভাবনায় প্রতিনিয়ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করে এসেছেন। তাঁদের প্রতি বর্তমান সরকার যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল, দৃঢ় প্রত্যয়ের সুরে বলেন সাংসদ দেব।