গুরুগ্রাম, ২৩ নভেম্বর (হি.স.) : এক মহিলা তার তিন সন্তানসহ বাড়িতে তৈরি জলের ট্যাঙ্কে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে অভিযোগ। মহিলার চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ছুটে এসে সবাইকে ট্যাঙ্ক থেকে বের করে। এ সময় তার তিন সন্তানই মারা গেলেও প্রাণে বেঁচে যান ওই মহিলা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং নলহার মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। মহিলার চারটি সন্তান ছিল, যার মধ্যে একজন স্কুলে ছিল। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
তথ্যমতে, নূহ জেলার খেদলা গ্রামে বসবাসকারী সাকুনাত নামে এক মহিলা তার তিন সন্তান, চার মাসের ছেলে ইকরার, ৮ বছরের ছেলে সাদ এবং ১০ বছরের সন্তানকে সঙ্গে তার বাড়ির তৈরি জলের ট্যাঙ্কে ঝাঁপ দেন। ট্যাঙ্কে ঝাঁপ দেওয়ার পর চিৎকার শুরু করে। শোরগোল শুনে প্রতিবেশীরা বাড়িতে পৌঁছে যায়। ট্যাঙ্ক থেকে মহিলা ও তার তিন সন্তানকে বের করে আনা হয়। ততক্ষণে শিশুরা মারা গেলেও মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নলহার মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। মহিলার চতুর্থ সন্তান স্কুলে গিয়েছিল। ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
তদন্তকারী অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর ভরত সিং জানিয়েছেন, ওই মহিলা বাড়িতে একাই ছিলেন। তার ১২ বছরের ছেলে শোয়েব স্কুলে যাচ্ছিল, তাই তাকে রক্ষা করা গেছে। কেন বাচ্চাদের নিয়ে ওই মহিলা এই পদক্ষেপ নিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়, নাকি দুর্ঘটনা ছিল। ঘটনার তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

