নয়াদিল্লি, ২৯ অক্টোবর (হি.স.): যমুনা নদী দূষণের জন্য বিজেপি ও আম আদমি পার্টি উভয় দলকেই দুষলেন ওয়াটারম্যান রাজেন্দ্র সিং। শনিবার ওয়াটার ম্যান বলেছেন, যমুনাকে আইসিইউ-তে পাঠানোর জন্য দিল্লির পৌর কর্পোরেশন যতটা দায়ী, ততটাই দায়ী কেন্দ্রও।
নদী ও বৃষ্টির জল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব রাজ্যের, এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চলমান ছট উৎসবের মধ্যে রাসায়নিক স্প্রে শুধুমাত্র মানুষের জন্য “বিপজ্জনক” নয়, নদীর স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। ওয়াটার ম্যান বলেছেন, রাসায়নিক যমুনার প্রাকৃতিক চরিত্রে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলবে।
হিন্দুস্থান সমাচার। রাকেশ।
পুজোর মরশুম বাড়িয়েছে আয়, আগামী সপ্তাহ থেকেই রাস্তায় নামতে চলেছে অতিরিক্ত সরকারি বাস
কলকাতা, ২৯ অক্টোবর (হি.স.) : উৎসবের মরশুম নাকি সরকারি বাসের আয় বাড়িয়ে দিয়েছে বেশ কয়েক গুণ। তাই আগামী সপ্তাহ থেকে আরও বেশকিছু সরকারি বাস নামতে চলেছে শহর কলকাতার রাস্তায়। অর্থাৎ এক কথায় বিভিন্ন রুটে বাড়বে সরকারি বাসের সংখ্যা। তাতে নিত্যযাত্রীদেরও কিছুটা সুবিধা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
অতিমারির দুটো বছরে লোকসানের মুখ দেখেছিল সরকারি বেসরকারি সব ধরনের বাসই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর আয় বেড়েছিল। তবে এবার দুর্গাপুজোর সময় যাত্রী আরও বেড়েছে। তাই বাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবহন দফতর। জানা গেছে, পুজোর সময় বেশ কিছু রুটে বাস পাননি যাত্রীরা। তাই নিয়ে দেখা দিয়েছিল অসন্তোষ। বিষয়টি গোচরে আসতেই ওই সব রুটগুলোতে অতিরিক্ত বাস নামানো হচ্ছে। আরও কয়েকটা রুটে অতিরিক্ত বাস চালিয়ে দেখতে চলেছে পরিবহন দফতর।
করোনার জেরে একদিকে যেমন যাত্রীসংখ্যা কমেছিল, সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল জ্বালানির দাম। ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে বাস মালিকরা পরিষেবা বন্ধ রেখেছিলেন। সে সময় ভরসা ছিল সরকারি বাসগুলোই। ক্ষতি সহ্য করেই বাস চালানো হয়েছিল। দুঃসময় কাটিয়ে পুজোয় ভাল আয় করেছে পরিবহন দফতর। সূত্রের খবর, শেষ দু’ এক মাসে প্রতিদিন গড়ে ২৫ লক্ষ টাকা আয় করেছে পরিবহন দফতর। সাকুল্যে সবথেকে বেশি আয় কলকাতা রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগমের। তারা আয় করেছে প্রায় ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা। রাজ্য পরিবহন নিগমের পকেটে ঢুকেছে ৩৫ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, কলকাতা ট্রাম কোম্পানি আয় করেছে ৪২ লক্ষ। সবমিলিয়ে পরিবহন দফতরের আয় হয়েছে ২ কোটি ৭৪ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর ভরসা করেই আরও বেশি করে বাস নামানো হচ্ছে বলে খবর।