করিমগঞ্জ (অসম), ১৯ অক্টোবর (হি.স.) : ফের সংবাদ শিরোনামে করিমগঞ্জ অসামরিক হাসপাতাল। ‘চিকিৎসায় গাফিলতির দরুন প্রাণ হারাতে হয়েছে’ করিমগঞ্জের এক রোগীর। এ নিয়ে হাসপাতালে উত্তেজনা দেখা দেয় মঙ্গলবার রাতে। তবে উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে দলবল নিয়ে ছুটে আসেন করিমগঞ্জ সদর থানার ওসি ভবেশ দিহিঙ্গিয়া। ফলে জল আর বেশি দূর গড়ায়নি।
ঘটনা মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০.৩০ মিনিট নাগাদ সংঘটিত হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য করিমগঞ্জ শহরের লঙ্গাইরোড এলাকার জনৈক বিশ্বজিৎ দে নামের রোগীকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল গতকাল বিকাল প্রায় সাড়ে পাঁচটা নাগাদ। কিন্তু হাসপাতালে ভরতি হওয়ায় পর তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটতে থাকে। রাত ১০টা নাগাদ হাসপাতালের বেডেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন লঙ্গাই রোডের বিশ্বজিৎ দে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতালে। দাবানলের মতো বিশ্বজিতের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে জড়ো হতে থাকেন তার নিকটাত্মীয় এবং প্রতিবেশীরা। জবাবদিহি করা হয় দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের।
রোগীর পরিবারের অভিযোগ, উন্নত চিকিৎসার কোনও ব্যবস্থা নেই করিমগঞ্জ অসামরিক হাসপাতালে। মৃত ব্যক্তির কন্যার অভিযোগ, হাসপাতালে ভরতি হওয়ার পর তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে যেতে থাকে। বার বার এ কথা কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সদের জানানো হয়। কিন্তু তাদের কেউ তাঁর কোনও কথায় কান দেননি, কোনও পদক্ষেপও নেননি। এমন-কি এখান থেকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতেল স্থানান্তরিত করার অনুরোধ করলেও কানে তুলেননি কর্তব্যরত ডাক্তার। যার ফলে বিনা চিকিৎসায় প্রাণ হারাতে হয়েছে তাঁর বাবার।