নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৭ সেপ্টেম্বর : সোমবার রাজধানীর আদালত চত্বরে গোমতীর মিল্ক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সমির দাস এবং তার ভাইপোর বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলে দাবি অভিযুক্ত সমীর দাসের৷ অন্যদিকে ধর্ষিতাকে মামলা না করতে শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ নস্যাৎ করলেন খোদ অভিযোগকারীনির মা৷ সোমবার দিনভর আদালত চত্বরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রী কর্তৃক অভিযোগ দায়ের না করতে হুমকি-প্রদানের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল৷ এরই মধ্যে মঙ্গলবার অভিযোগকারীনির মা তার নিজ বাড়িতে সাংবাদিক ডেকে মেয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে তা খারিজ করলেন৷ অভিযোগকারী মা জানান যে বাড়িতে মেয়ে থাকে সেই বাড়িটি উনার৷ উনার বাড়িতে শিক্ষামন্ত্রী কোনদিন আসেননি বলে দাবি করেন৷ তিনি আরো বলেন উনার মেয়ে গর্ভবতী হয়েছে সত্যি৷ তবে এই বিষয়টি তিনি যখন জানতে পেরেছিলেন তার মেয়েকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বললে পাল্টা উনাকে মেয়ে মারধর করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি৷ অন্যদিকে গোটা অভিযোগের বিষয়ে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত গোমতী মিল্ক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সমীর দাসকে প্রশ্ণ করা হলে তিনি জানান উনার বাড়িতে অভিযোগকারীনি গৃহ পরিচালিকার কাজ করতেন৷ বিগত পাঁচ মাস যাবত তিনি আর তার বাড়িতে কাজ করছেন না বলে জানান তিনি৷ তিনি জানান দীর্ঘ বছর আগে চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন উনার শারীরিক কারণে বাবা হতে পারবেন না৷ যার ফলে একটি সন্তান তিনি দত্তক নিয়েছেন৷ সমীর দাস প্রশ্ণ করেন যদি তিনি ধর্ষণ করে থাকতেন তাহলে পুলিশে অভিযোগ না করলেও সামাজিকভাবে কেন বিষয়টি উত্থাপন করেননি? সমীর দাস বলেন উনাকে কালিমালিপ্ত করতে এবং রাজনৈতিক ফায়দা নিতে কংগ্রেসের নেতারা ওই মহিলাকে দিয়ে উনার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়েছেন৷ তবে তিনি দাবি করেন পুলিশ যেন গোটা অভিযোগের সঠিক তদন্তক্রমে বিষয়টির রহস্য উন্মোচন করে৷ তিনি আশ্বাস দেন এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় তিনি পুলিশকে উনার তরফ থেকে সমস্ত ধরনের সহযোগিতা করবেন৷
2022-09-27