গুয়াহাটি, ২২ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : দেশের ১০টি রাজ্যে আচমকা এক সঙ্গে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া (পিএফআই)-র বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র পৃথক পৃথক দল। এনআইএ-র এক দল অসমের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে করিমগঞ্জ জেলার বদরপুরের এক সহ ১০ জন পিএফআই নেতাকে গ্রেফতার করেছে।
সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত করা এবং মানুষকে নিষিদ্ধ পিএফআই-এ যোগদানের জন্য প্রোৎসাহিতকারীদের খুঁজে বের করতে গতকাল রাতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি ঝাঁপ মেরেছে। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনআইএ, ইডি প্রথমবারের মতো বিশাল এই অভিযানে রাজ্য পুলিশ বাহিনীর একটি যৌথ দল ১৩টি রাজ্য থেকে ১০০ জনের বেশি পিএফআই নেতাকে গ্রেফতার করেছে।
এর মধ্যে অসমের কামরূপ জেলার অন্তর্গত হাতিগাঁও এবং নগরবেরা সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১০ জন পিএফআই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পিএফআই সভাপতি ওএমএ সালামের বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ-ইডি, জানা গেছে বিশেষ সূত্রে।
এদিকে, পিএফআই-এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বজলুল করিম নামের একজনকে করিমগঞ্জ জেলার বদরপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পিএফআই-এর সাথে জড়িত সন্দেহে নগরবেড়া থেকে চারজনকে গ্রেফতার করেছে অভিযানকারী কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি। এছাড়া আরও যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা যথাক্রমে রবিউল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ভুইয়াঁ ও হাফিজ আহমেদ। পিএফআই-এর রিজিওনাল সেক্রেটারি আমিনুল হক নামের একজনকে গুয়াহাটির হাতিগাঁও এবং ফরহাদ আলি আহমেদ নামের আরেকজনকে দিশপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।গভীর রাতে পরিচালিত অভিযানে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি গ্রেফতারকৃত পিএফআই নেতাদের হেফাজত থেকে নথিপথ সহ অপরাধমূলক বেশ কিছু সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে। গ্রেফতারকৃতদের অসম পুলিশের একটি বিশেষ স্থানে রাখা হয়েছে। তল্লাশিগুলি পিএফআই নেতা, সদস্যদের আবাস এবং অফিসে চলছে৷