লালবাজার থেকে বেড়িয়ে লকেট-রাহুলকে পাশে নিয়ে শুভেন্দুর সাংবাদিক সম্মেলন

কলকাতা, ১৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে মারমুখী পুলিশের হাতে ২০০-র ওপর বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, হাইকোর্টের নির্দেশে দ্রুততার সঙ্গে পুলিশ তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হল।

এদিন অভিযানে আটক লকেট চট্টোপাধ্যায় ও রাহুল সিনহাকে পাশে নিয়ে সন্ধ্যা ছটা নাগাদ লালবাজার থেকে বেড়িয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন শুভেন্দুবাবু। সেই সময় বিজেপি-র কিছু কর্মী তাঁকে গলায় মালা দিয়ে সম্বর্ধনা জানান। শুভেন্দুবাবু বলেন, “পাঁচ মিনিট আগে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্তি দিতে বলায় আমাদের ছাড়া হয়েছে।”

বিরোধী দলনেতা বলেন, “গতবছর ২ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে আমি পরাজিত করার পর প্রতি সপ্তাহে তাঁর ভাইপো দলদাশ পুলিশকে দিয়ে মিথ্যে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করছে। আমি হাইকোর্টের শরনাপন্ন হয়েছি। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দুবার স্পেশাল লিভ পিটিশন করেও সুবিধা পায়নি। আমাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে না। আমাদের আজ আটক করতে পারত। তা না করে রিজওয়ানুর রহমানের খুনী, অনেক অপকর্মের নায়ক জ্ঞানবন্ত সিং বেআইনিভাবে আমাকে গ্রেফতার করেছে। আমরা কলকাতা পুলিশের এই আচরণের বিরোধিতা করে সিপি-সহ চার পদস্থ অফিসারের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছি।“

অভিযানে বিজেপি কর্মীদের হিংসাত্মক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন করলে শুভেন্দুবাবু সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের সকলেই অভিযানে নিরস্ত্র হয়ে এসেছিল। আমাদের বিরুদ্ধে মামলা সাজাতে পুলিশের গাড়িতে পুলিশ নিজেই আগুন লাগিয়েছে। অথবা তিলকে তাল করার জন্য তৃণমূলের জেহাদিরা ওই কাজ করেছে। পুলিশের ছোঁড়া কাঁদানে গ্যাসের খোলে পুলিশের কেউ আহত হতে পারেন। আমাদের প্রায় ২০০-২৫০ জন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন জেলায় কিছু বিজেপি কর্মীর হাত-পা মেরে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৫০ জন হাসপাতালে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *