নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ২৭ জুলাই৷৷ কথায় আছে বয়স বাড়লেও মানুষের স্বভাব চরিত্র নাকি পাল্টায় না৷ এমনই এক ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল ছেঁচড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ নং ওয়ার্ডের চ্যাটার্জি কলোনি এলাকার লোকজন৷
ঘটনার বিবরণে জানা যায় ছেঁচড়িমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কৃষ্ণ পাল অনেক দিন ধরে ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সবার কাছে বিচার প্রার্থী হচ্ছেন উনার ছেলে নাকি উনাকে ভাত দেয় না৷ উনার দেখাশোনা করে না, এমনকি অসুস্থ হলে উনার একটু খোঁজখবর ও নেন না৷ দীর্ঘদিন ধরে উনি খুব অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছেন৷ জন্মদাতা পিতার সন্তানের বিরুদ্ধে সকলের কাছে এমন অভিযোগ করছেন এটা যেকোন কেউই বিশ্বাস করবেন৷ বাবার এমন আচরণে ছেলে তাপস পাল একপ্রকার বাধ্য হয়ে সংবাদিকদের ডাকেন আসল ঘটনা উন্মোচন করতে৷ তাই এ নিয়ে আমাদের প্রতিনিধি যখন কৃষ্ণ পালের ছেলে তাপস পালকে জিজ্ঞেস করে তখন তাপস পাল বলেন উনার বাবা তিন সংসার করেন৷ উনারা এক ভাই, তিন বোন৷ উনি এবং উনার বোনেরা বাবাকে যথেষ্ট আদর যত্ন করেন৷ তাপস পাল কিছু দিন আগেও বাবা অসুস্থ হওয়ায় বাবাকে ডাক্তার দেখান৷ এমনকি ছেলে তাপস পালের সাথে থাকতে বাবাকে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও উনার বাবা রাজি হননি৷
তাপস পালের মা থাকতেও উনার বাবা নিজের হাতে রান্না করে খেতেন৷ এখন ছেলে বললেও তিনি ছেলের সাথে খান না৷ এ বিষয়ে প্রায়ই বাবা ছেলের মধ্যে ঝগড়া হয়৷ ঝগড়া থামানোর জন্য এলাকাবাসী তাদের বাড়িতে আসলে কৃষ্ণ পাল এলাকাবাসীর সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করে৷ এলাকাবাসী বলেন ছেলের বিরুদ্ধে কৃষ্ণ পাল যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন৷ ছেলে তাপস পাল বাবার জন্য যথেষ্ট করেন৷ কিছু দিন আগেও ডাক্তার দেখিয়েছেন৷ কিন্তু কৃষ্ণ পালের এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ছেলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো৷ শুধু ছেলে নয়, প্রত্যেক এলাকাবাসীর সাথে উনার কটুক্তিকারী ব্যবহারের দরুন উনি এখন সবার কাছে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন৷ বর্তমান যুগে সন্তানের বাবা-মার প্রতি খারাপ, তুচ্ছতাচ্ছিল্য ব্যবহার, বাবা মার দায়িত্ব পালনে অনীহা, এগুলো প্রায়ই দেখা যায়৷ কিন্তু কোন বাবার সন্তানের প্রতি এমন কুৎসা রটনা খুবই বিরল ঘটনা৷

